মুন্সীগঞ্জে নৌথানা জরম্নরি

নদীপথের কোথাও না কোথাও প্রতিদিন ছিনতাই, চাঁদবাজিসহ নানা সন্ত্রাসী ঘটনা ঘটছে। চাঁদা না দিলে খুন পর্যনত্ম করা হয় নৌযানের শ্রমিকদের। জলথানা বা নৌ-পুলিশের অভাবে দেশের নদীপথ সন্ত্রাসী-চাঁদাবাজদের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে। পদ্মা-মেঘনা-ধলেশ্বরী-ইছামতি নদী বেষ্টিত মুন্সীগঞ্জ জেলায় জলথানা বা মেরিন থানা অতিপ্রয়োজন।

সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজদের হাত থেকে নদীপথকে নিরাপদ করার জন্য জলথানা বাসত্মবায়ন এখন সময়ের দাবি বলে মনে করেন মুন্সীগঞ্জের পুলিশ সুপারও। জেলা প্রশাসক মোঃ মোশারফ হোসেন জানান, ভৌগোলিক কারণে ১৬ শতাব্দীতে মীর জুমলার শাসনামলেও মগজলদসু্যদের হাত থেকে রাজধানী ঢাকাকে রায় ইদ্রাকপুর ফোর্ট স্থাপন করা হয়। বর্তমান প্রোপটেও নৌ-থানা স্থাপন জরম্নরী হয়ে উঠেছে। এদিকে বালুদসু্যও এখানে অনেক। নৌপথের অরাজকতা থামাতে নৌ-থানা না থাকায় নানাভাবে ট্যাকেল দিতে হচ্ছে।

ইতোমধ্যেই শহরে বিােভ মিছিল ও পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সামনে মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করেছে দু’শতাধিক নৌ-শ্রমিক। নদীপথের ব্যসত্মতম ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় জলথানা প্রতিষ্ঠার জন্য তারা জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের কাছে স্মারকলিপি পেশ করেছেন। বাংলাদেশ কার্গো-ট্রলার শ্রমিক ইউনিয়ন ও বাংলাদেশ জাহাজী শ্রমিক ফেডারেশনের উদ্যোগে এসব কর্মসূচী পালিত হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মোঃ শুকুর মাহমুদ, সাধারণ সম্পাদক মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, মোঃ শফিকুল ইসলাম মাস্টার, সৈয়দ শাহাদাত হোসেন মাস্টার, মাহমুদ হোসেন, মিজানুর রহমান, সবুজ শিকদার, হারম্নন মোলস্না, বাবুল চৌধুরীসহ নৌযান শ্রমিক সংগঠনের অন্য নেতারা।

এদিকে নদীতে স্থানীয় থানাগুলোর সীমানা পিলার না থাকায় কোন ঘটনার মামলা করতে গিয়ে হয়রানির শিকার হতে হয় নৌ-শ্রমিকদের। এ ছাড়া নদীতে নৌ-পুলিশ ও টহলযানের অপ্রতুলতা এবং কোস্টগার্ডের নিয়মিত টহল না দেয়ার কারণে নদীপথ অরতি রয়ে গেছে। এসব কারণে নদীপথে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, ডাকাতি, খুন দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে অভিযোগ করে নৌ-শ্রমিকরা।

[ad#co-1]