গাথা-কবির উত্তরপুরম্নষ

সরকার মাসুদ
পাঠ্যপুসত্মকের বাইরে গোবিন্দচন্দ্র দাসের কবিতা এখন আর কেউ পড়েন বলে মনে হয় না। কিন্তু নানা কারণে উনিশ শতকের এই নিভৃিতবাসী বাঙালী কবির কাজ বিশেষত্বপূর্ণ। কাজেই ঈশ্বরগুপ্ত আজও অনুসন্ধিৎসু পাঠক দ্বারা পঠিত ও আলোচিত হতে পারলে গোবিন্দচন্দ্রও সে দাবি রাখেন। আসলে গোবিন্দ দাসের ‘স্বভাব কবি’ খেতাবটি তাঁকে আধুনিক কালের পাঠক থেকে দূরে সরিয়ে রেখেছে। এবং সময়োত্তর যুগের প্রকরণ-সচেতন অগ্রসর পাঠকের একটি বড় অংশ তাঁকে প্রায় অবজ্ঞায় নিপে করেছে। কবিমাত্রেই স্বভাব কবি। তাছাড়া সহজ স্বাভাবিক কবিত্ব আরও অনেকেরই ছিল। বস্তুত, সারা ঊনিশ শতকে এমন কবির অভাব নেই যিনি গোবিন্দচন্দ্রের মতো হৃদয়নির্ভর ও প্রেরণাচালিত। বুদ্ধদেব বসুর মতে, স্বভাব কবির সমালোচনা-ভীতি আছে। কেননা, এ ধরনের কবি বিশ্বাস করেন, সমালোচনা কবিত্বশক্তির শত্রম্ন। কিন্তু গোবিন্দচন্দ্র দাস অন্যের রচনার সমালোচনাও করেছেন, যদিও সেসব লেখা একপেশে এবং বিদ্রূপাত্মক। তাহলে বিশেষভাবে গোবিন্দ দাসকেই কেন স্বভাব কবি বলা হলো? সেটা কি এই জন্য যে, তিনি যখন যেমন খুশি লিখেছেন, রচনার শিল্পাশিল্পের তোয়াক্কা না করেই? আমার ধারণা, যুগের চলতি সাহিত্যরীতির সঙ্গে গোবিন্দচন্দ্রের কবিমনের গঠন মিলে গেছে। ফলে তিনি প্রথার বাইরে যেতে চাননি অথচ তিনি তাঁর সমসাময়িক। সুতরাং এটা পরিষ্কার, ঈড়হাবহঃরড়হ-অ তাঁর কবিতায় স্বভাব কবির চৈতন্য এবং গঠনভঙ্গি এনে দিয়েছে। আর একটা কথা : বৈষ্ণব পদাবলীর কবি গোবিন্দ দাস থেকে আলাদা করার সুবিধার জন্যও তাঁকে ‘স্বভাব কবি’ উপাধি দেয়া হয়েছে মনে হয়।

অসহনীয় দুঃখের জীবন ছিল এই কবির। বলা যায়, দারিদ্র্য ও দুর্ভাগ্য ছিল তাঁর প্রতিদিনের সঙ্গী। জয়দেবপুরের ভাওয়াল রাজার অধীনে রাজপরিবারে তিনি চাকরি নেন। এক সময় কোন ব্যাপারে রাজার অবিচার দেখে কবি ুণ্ন হন এবং চাকরি ছেড়ে দেন। এ ঘটনার পর তাঁর ভাগ্যে নেমে আসে অকথ্য বিপর্যয়। অন্যান্য রাজকর্মচারী তাঁর বিরম্নদ্ধে ষড়যন্ত্র শুরম্ন করে। শেষে রাজা ভুল বুঝে তাঁকে নিজ গ্রাম থেকে তাড়িয়ে দেন। নির্বাসিত কবিকে এর পর ময়মনসিংহের নানা জায়গায় চাকরি করতে হয়েছে।

বলাবাহুল্য, কোথাও তিনি স্বসত্মি পাননি। ফলে সুস্থিরভাবে বসতেও পারেননি। একদিকে প্রবল জীবিকাসঙ্কট এবং জন্মভূমি থেকে বিতাড়িত হবার মনোকষ্ট, অন্যদিকে যৌবনে স্ত্রীবিয়োগ। স্ত্রীবিয়োগের অল্পদিন পরেই প্রিয় ছোট ভাইয়ের মৃতু্য ভাগ্যবিড়ম্বিত এই কবিমানুষের দুঃখের পাত্র কানায় কানায় পূর্ণ করে দেয়। ভগ্নস্বাস্থ্যের অভিশাপ তাঁকে মৃতু্যশয্যার হিমশীতল পরিণতিতে ঠেলে না দিয়ে ছাড়েনি। খুব সংেেপ এই হলো কবি গোবিন্দচন্দ্র দাসের জীবন। এসব তথ্য গোবিন্দ দাসের কবিতার মূল সুর অনুধাবনের েেত্র প্রাসঙ্গিক। এবং পারক্যলাঞ্ছিত, নির্বেদগ্রসত্ম এক নিরীহ কবির দুঃখিত কাব্য-উচ্চারণের প্রকৃতি নিরূপণে এগুলো বিশেষ সহায়ক। জন্মভূমি এবং স্ত্রী গোবিন্দ কাব্যের দুই প্রধান চিনত্মাসূত্র হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আছে। জন্মভূমির জন্য শোক এবং স্ত্রী হারানোর বেদনা থেকে উৎসারিত হয়েছে তাঁর হৃদয়নির্ভর নিরাবরণ কবিতাগুলো। কিনত্মু দুর্বার আবেগ তাঁর কাব্যভাবনা ও ভাষার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় বলেই আমার ধারণা। গোবিন্দ দাসের কবিতার ভাষা ভাবাবেগকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারেনি। এর ফলে কবিতা বহু েেত্রই অন্যায় উচ্ছ্বাসের কাছে সমর্পিত। এই একটা দিকে নজরম্নলের সাথে তাঁর ল্যযোগ্য মিল দেখা যায়। নজরম্নলের অগি্নবষর্ী ভাষার সাথে, প্রতিবাদী কণ্ঠস্বরের সাথে আবেগের প্রচ-তা মানিয়ে গেছে। গোবিন্দচন্দ্র দাসের কবিতা সে রকম কোন সুযোগ থেকে বঞ্চিত। _’আমি তারে ভালোবাসি অস্থিমাংস-সহ/আমি ও-নারীর রূপে/আমি ও মাংসের সত্মূপে/কামনার কমনীয় কেলি-কালীদহ/ও-কর্দমে অই পঙ্কে/ওই কেদে ও কলঙ্কে/কালীর নাগের মতো সুখী অহরহ_।’

তাঁর কবিতায় কৌতূহলের সাথে ল্য করা যায় উনিশ শতকী গ্রাম্য সরলতা। আজকের সুশিতি পাঠক, উত্তর আধুনিকতার পশ্চিম-তাড়িত ডামাডোলের দিনে বাংলা কবিতা যখন খুঁজে ফিরছে হারানো শিকড়ের সজীবতা, যদি এই পুরনো দিনের কবির মধ্যে ব্যাখ্যাতীত আকর্ষক উপাদান আবিষ্কার করে বসেন, আমি অবাক হব না। গোবিন্দ দাসের খোলামেলা যন্ত্রণাবোধ, হাস্যরস, প্রকৃতিপ্রেম (পাঠক, তাঁর ‘বরষার বিল’ কবিতা স্মরণ করম্নন), সমালোচনা-বুদ্ধি প্রভৃতি সর্বজনগ্রাহী থিমের সাথে আবরণহীন ভাষার সারল্য যুক্ত হয়ে সহজ-সাবলীল কবিতার জন্ম সম্ভব হয়েছে। আধুনিক কবির ভাষাঘটিত মোহন ইন্দ্রজালের খপ্পরে পড়লে গোবিন্দসুলভ ভাবনা প্রকৃতি আর তার প্রকাশরীতির নিজত্ব মারাত্মকভাবে খর্ব হতো তাতে সন্দেহ নেই। কবিতা-ভাষার এই অনাড়ম্বর অকপটতাই তাঁর কবিত্বের অন্যতম চারিত্র্য লণ। একটা ব্যাপার বিস্ময়ের। তা হলো, রবীন্দ্রনাথের সমসাময়িক হওয়া সত্ত্বেও তাঁর কণামাত্র প্রভাব গোবিন্দচন্দ্র দাসে পড়েনি। কবি রবীন্দ্রনাথের হীরকসনি্নভ অসত্মিত্ব তাঁর কবিচৈতন্যে এতটুকু ছায়াপাত করেছে বলে মনে হয় না। সেটা কবি হিসেবে গোবিন্দ দাসের পইে গেছে। যে রবীন্দ্র কাব্য-ভাষার প্রতারক সারল্যে আকৃষ্ট হয়ে সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত, যতীন্দ্রমোহন বাগচী প্রমুখ কবির রবিরশ্মি-বলয়ের চারপাশে আবর্তিত হলেন, তা থেকে বহু দূরে ছিলেন বলেই রবীন্দ্র যুগে কাব্যচর্চা করেও নিজের স্বাতন্ত্র্য রা করা সম্ভব হয়েছিল তাঁর প।ে অথচ রবীন্দ্রনাথের কবিতার মোহিনী-প্রকৃতিতে যাঁরা অভিভূত ছিলেন, ঠাকুরের জ্যোতির্ময় মহাপ্রতিভার পালস্নায় পড়ে রবীন্দ্রনাথের অম অনুকরণই হয়ে উঠল তাঁদের অনিবার্য নিয়তি। যেহেতু রবীন্দ্র-ভাষার জলপ্রতিম বহিরঙ্গ-সারল্যই কেবল তাঁদের চোখে পড়েছিল; তাঁরা দেখতে পাননি গভীরের কুটিল স্রোত, উপলব্ধিতে আসেনি অভ্যনত্মরের আবর্তসঙ্কুল, অনেকার্থবোধক ভাবনারাশি। এভাবে সত্যেন্দ্রনাথ প্রমুখ লেখক স্বভাব কবিত্বের দোষে দুষ্ট হয়েছেন। এই ঘটনার ঐতিহাসিকতা সত্যিই মনে রাখার মতো।

গোবিন্দচন্দ্র দাস, পানত্মরে স্বভাববৈশিষ্ট্যেই স্বভাব কবি। তাঁর কৈশোরে কলকাতা শহর ছিল নতুন বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতির প্রাণকেন্দ্র। স্বভাবতই শিল্পী-সাহিত্যিকেরা কলকাতায় ভিড় করেছিলেন ঐ সময়। অনেকে লেখালেখি ভাল করে শুরম্ন করার আগেই ঐ শহরে গিয়ে হাজির হয়েছিলেন। অপর প েগোবিন্দদাসের কৈশোর-যৌবন বলতে গেলে জীবনের প্রধান অধ্যায়গুলোই কেটেছে কলকাতা থেকে বহু দূরে, জয়দেবপুরের নিভৃত পলস্নীতে। পরে, পরিণত বয়সে কলকাতার সুধী সমাজে বেড়াতে গিয়েছিলেন। গ্রাম থেকে আসা এই অতিথিকে কলকাতা কোনভাবেই অভ্যর্থনা জানায়নি। নগর ভ্রমণের সেই তিক্ত অভিজ্ঞতা, সরল মনের অপ্রসন্ন ভাব, নগর সভ্যতার শুভত্ব বিষয়ে সন্দেহ পরে ‘বাঙালি’, ‘আমারি যে দোষ’, ‘সে কেমন’ প্রভৃতি কবিতায় প্রতিফলিত হয়েছে। আরেকটা কথা। গ্রামে থাকতেই তাঁর কবিতার ভিত্তি অর্থাৎ ক্যারেকটার গড়ে ওঠে। সেজন্য কলকাতাকেন্দ্রিক নতুন বাংলা কবিতার গঠন ও গনত্মব্যজনিত টেনশন থেকে তিনি মুক্ত ছিলেন। তাঁর কবিব্যক্তিত্ব ছিল ব্যক্তিবেদনা ও শানত্মিপ্রদ আসানত্ম্বনার মিশেলে গড়া। তাই অনেক দুঃখ-যন্ত্রণার বিব্রত অভিজ্ঞতা শেষে তিনি উচ্চারণ করেছেন, ‘এখন দেখিতে পাই তুমি না থাকিলে,/ দীনের আশ্রয় শেষ আছে ভগবান’…। অর্থাৎ, শেষ পর্যনত্ম ঈশ্বর-বিশ্বাসে স্থিত হয়েছে তাঁর শোকসনত্মপ্ত কবিমন।

গোবিন্দচন্দ্র দাসের কবিতার সাথে ময়মনসিংহ গাথার পদ্যগুলোর একটা জায়গায় যথেষ্ট মিল আছে বোধ হয়। সেটা যেমন বক্তব্য-বিষয়ের দিকে থেকে, তেমনি ভাষার দিক থেকেও। কাব্যভাষার অকপট সারল্যই সেই সাদৃশ্যের মুখ্য কারণ। তা ছাড়া জয়দেবপুর (কবির জন্মস্থান) ময়মনসিংহের প্রানত্মবতর্ী এলাকা। এবং উনিশ শতকের শেষ পাদ, গোবিন্দ দাস যখন ৩০/৩৫ বছরের যুবক, কবিতাচর্চা করলেও স্বভাববৈশিষ্ট্য আর কাব্যগুণে তিনি আসলে ঐসব গাথাকারের সহগোত্রীয়। কবে মানুষ মরে গেছে বছরতিনেক প্রায়,/ আজো তাহার ঘরে যেতে জ্বর আসিছে গায়/ ঐখানে সে দাঁড়াইয়া,/মুখ দেখিত আয়না দিয়া,/ অমল জলে কমল যেন শরৎ-সুষমায়।’

ব্যক্তিবিশেষের ােভ, যন্ত্রণা, অসহায়ত্বকে তিনি সহজ-সরল গাম্ভীর্যে এমনভাবে তুলে ধরতে পেরেছেন যে, তা নির্বিশেষের উপলব্ধিতে উত্তীর্ণ হয়ে গেছে। অনুপ্রেরণায় বিশ্বাসী এই কবির রোমান্টিক চৈতন্য সৃজনধর্মে প্রকৃতই উনিশ শতকী। সামনত্মযুগে এই কবির সৃষ্টিশীলতার ডালপালা মেলেছিল। তাঁর ভিতর খুব সূক্ষ্মভাবে ছিল পরাধীনতার মর্মকষ্ট। এখানে স্মর্তব্য, অন্যায়ের নীরব প্রতিবাদ হিসেবেই ভাওয়াল রাজার দেয়া চাকরিটি তিনি ছেড়েছিলেন। নিজ গ্রাম তথা জন্মভূমির প্রতি দুর্মর আকর্ষণ নির্বাসিত কবিকে এক অনাস্বাদিতপূর্ব শূন্যতার অভিজ্ঞতায় সমৃদ্ধ করে। দেশপ্রেম নিয়ে লেখা তাঁর কবিতাগুচ্ছের নেপথ্যে যে সমাজ-পরিস্থিতি কাজ করেছে, সেখানে নির্বাসনের দুর্ঘটনাও ছায়া ফেলেছে বোঝা যায়। উনিশ শতকের প্রতীচ্যে অনেক কবির এক প্রিয় থিম ছিল চধঃৎরড়ঃরংস. ওয়াল্টার স্কট, বায়রন প্রমুখ এ বিষয়ে উঁচুমানের কবিতা লিখেছেন। রবার্ট ব্রাউনিং তাঁর সাহিত্যবিশ্রম্নত উৎধসধঃরপ গড়হড়ষড়মঁব চর্চায় দেশপ্রেমের আইডিয়াকেও সার্থকভাবে কাজে লাগিয়েছেন। কিনত্মু এই উনিশ শতকী বাঙালী প্রায়-গাথা-কবির বেলায় তা যতটা ঐবধৎঃ-ভবষঃ ব্যাপার ছিল তেমনটা খুব কম লেখকের েেত্রই সত্য। সামাজিক-রাজনৈতিক কারণে আরও অনেক কবি-লেখককে স্বদেশ থেকে বিতাড়িত হতে হয়েছে। তবে গোবিন্দচন্দ্র দাসের নির্বাসন একেবারে তাঁর অসত্মিত্বের মূল ধরে নাড়া দেয়। কেননা, অবিশ্বাস্য দারিদ্র্য কাটা ঘায়ে নুনের মতো প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছিল।

প্রাচীনকালের বেশিরভাগ কবিতাতেই বিশেষ ভৌগোলিক অঞ্চলের চেতনা ল্য করা যায়। গোবিন্দচন্দ্র দাসেও অল্পাধিক ঐ ধারাটিই চর্চিত হয়েছে। সেই অর্থে তিনি আঞ্চলিক রসের কবিও বটে। তবে এভাবে বললে তাঁকে কিছুটা খাটো করা হয়। তিনি পুরনো দিনের সাহিত্যরীতি অনুসারে সহজ কথায় গভীরভাব পরিবেশন করেছেন। আজকের কবি ও পাঠকের চোখে স্বভাবতই তাঁর রচনা ইধপশ ফধঃবফ। কিন্তু এটাও সত্য যে, পুরনো রীতির মধ্যেই খানিকটা নতুনত্ব যোগান দিতে পেরেছেন তিনি। খেয়াল করে পড়লে তাঁর পুরনো ধাঁচের রোমান্টিক কবিতার মধ্যেই বিশ শতকী আধুনিকতার কিছু সূত্র আবিষ্কার করতে পারি আমরা। তার মানে প্রচ্ছন্নভাবে হলেও গোবিন্দচন্দ্র দাসের কবিতায় প্রাগ্রসর কিছু চেতনা বিরাজমান। ‘আমি তারে ভালোবাসি অস্থি মাংস-সহ’_ এই পঙ্ক্তির সরল স্বীকারোক্তি এবং একই কবিতায় উপস্থাপিত প্রেমিকার শরীর বর্ণনা কি সে কথাই প্রমাণ করছে না যে, বিশেষত রবীন্দ্রনাথের কামনাকাতর কবিতাতেও যেখানে রক্ত-মাংসের শরীর অকল্পনীয়?

কবিকৃতিতে উনিশ শতকের বাংলা কবিতায় ঈশ্বরগুপ্ত ও মধুসূদনের পরেই গোবিন্দচন্দ্র দাসের স্থান বলে আমার বিশ্বাস। কিনত্মু আসন যেখানেই হোক, বাংলা ভাষার নতুন কবি ও পাঠক তাঁর কবিতা পড়ে বিশেষ এক ধরনের স্বাদ পাবেন আশা করি। মেজাজের দিক থেকে তা প্রাচীন গাথা-কাব্য ও নবীন বাংলা কবিতার (ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষ পর্যায়ে যার শুরম্ন) মাঝামাঝি কিংবা দু’য়ের মিশ্রিত রূপ।

[ad#co-1]