ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কে এক ঘণ্টা অবরোধ : যাত্রীদের দুর্ভোগ

ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার একেএম শহীদুল হকের ভাই ইসমাইল হোসেনের বাস চলতে না দেয়ায় বুধবার বিকাল ৪টার দিকে ইলিশ পরিবহনের বাস মাওয়া চৌরাস্তায় এলোমেলোভাবে ফেলে রেখে রাস্তায় ব্যারিকেড দিয়ে ঢাকা-মাওয়া মহাসড়ক এক ঘণ্টা অবরোধ করে রাখে পরিবহন কর্তৃপক্ষ। এতে দক্ষিণাঞ্চলের পরিবহনসহ ট্রাক পারাপারে মাওয়া ঘাটে মারাÍক বিঘœ সৃষ্টি হয়। ঘাটে দেখা দেয় বিশাল যানজট। জানা যায়, ইসমাইল হোসেন নামের এক ব্যক্তি ইলিশ পরিবহনের যাত্রাবাড়ী-মাওয়া রুটে তার একটি বাস বহরে চলাচলের জন্য দীর্ঘদিন ধরে কোম্পানিটিকে চাপ প্রয়োগ করে আসছিল।

কিন্তু ইলিশ পরিবহন ওই রুটে তাদের সীমাবদ্ধতার কথা জানিয়ে গুলিস্তান-মাওয়া রুটে তার বাসটি বহরে দেয়ার কথা বলে। কিন্তু ইসমাইল এতে সন্তুষ্ট হতে না পেরে গত কয়েকদিন ধরে পুলিশের সহযোগিতায় যাত্রাবাড়ী থেকে ইলিশ পরিবহনের বাসগুলো রেকার দিয়ে অকারণে তুলে নিয়ে যেতে থাকে। বুধবার ইসমাইল ইলিশের ব্যানারে তার একটি গাড়ি যাত্রাবাড়ী কাউন্টার থেকে জোর করে চালাতে থাকে এবং একই সঙ্গে পুলিশের সহযোগিতায় রেকার দিয়ে ইলিশের অপর একটি গাড়ি তুলে নিতে চাইলে তাৎক্ষণিক প্রতিবাদে যাত্রাবাড়ীতে ইলিশ পরিবহন রাস্তা অবরোধ করে। ঘটনা মোবাইলের মাধ্যমে মাওয়ায় ছড়িয়ে পড়লে বিকাল ৪টার দিকে মাওয়া চৌরাস্তায় ইলিশ পরিবহনের বাস এলোমেলোভাবে ফেলে রেখে মহাসড়ক অবরোধ করা হয়। এতে ঢাকা-মাওয়া মহাসড়ক দিয়ে চলাচলকারী সব লোকাল বাস বন্ধ হয়ে যায়। একই সঙ্গে ঢাকা-মাওয়া-খুলনা মহাসড়ক দিয়ে যাতাযাতকারী সব ধরনের যানবাহন আটকা পড়ে মাওয়া এলাকায়। এ সময় মাওয়া এলাকায় দেখা দেয় বিশাল যানজট। ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক এনায়েত উল্লাহ ঘটনার সুষ্ঠু সমাধানের আশ্বাস দিলে বিকাল ৫টার দিকে ইলিশ পরিবহন মহাসড়ক অবরোধ প্রত্যাহার করে নেয়।

[ad#co-1]