মুন্সীগঞ্জে ১৬ কোটি টাকার শহর রক্ষা ও বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ নিমাঁণ নিয়ে জটিলতা

মুন্সীগঞ্জ শহরের উপকন্ঠে ধলেশ্বরী নদীর তীরে ১৬ কোট টাকার শহর রক্ষাবাঁধ ও বন্যা নিয়ন্ত্রন বাঁধ নির্মানে মরা ও নি¤œমানের পাথরের ব্যবহার করার অভিযোগ উঠেছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের আওতাধীন ও এডিবির অর্থায়নে নির্মানাধীন ৪’শ ৭ মিটার দৈর্ঘ্যরে শহর রক্ষা বাঁধ ও বন্যা নিয়ন্ত্রন বাঁধের আর সি সি ফ্লাড ওয়াল ও প্রটেকটিভ ওয়াল নির্মানে ঠিকাদরী প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ওই অভিযোগ উঠে। স্থানীয়রা ওই অনিয়মের মাধ্যমে শহর রক্ষা ও বন্যা নিয়ন্ত্রন বাঁধের পাইলিংয়ের কাজে মরা ও নিন্ম মানের পাথর ব্যবহারের মধ্য দিয়ে কাজ করার ঘটনাকে “বিসমিল্লাহতে গলদ”-আখ্যায়িত করেছেন। এদিকে, বাঁধের পাইলিংয়ের কাজ করার জন্য ঠিকাদার কমপক্ষে ৫০ লাখ টাকার মরা ও নিন্ম মানের পাথরের স্তুপ করেছেন। ওই নিন্ম মানীয় ও মরা পাথর ব্যবহারের প্রতিবাদে ফুঁসে উঠছেন এলাকাবাসী। তারা বিক্ষোভ প্রদর্শনও করেছেন ওই ঘটনায়। অন্যদিকে এডিবির কনসালটেন্ট প্রকৌশলী মো: কামাল বক্স স্তুপাকৃত পাথর সরিয়ে নেয়ার জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলীকে চিঠি দিয়েছেন। সেকেন্ডারী টার্মস ইন্টিগ্রেটেড প্রটেকশন প্রজেক্ট তথা স্টিপ-টু এর আওতায় ধলেশ্বরী নদীর ডান তীরে ওই বাঁধ নির্মান কাজ চলছে। ওই প্রজেক্টের প্যাকেজে-৭ ও প্যাকেজ- ৮ অনুযায়ী ২ টি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান বাঁধ নির্মানের কাজ করছেন। এরমধ্যে হাসান অ্যান্ড ব্রাদার্স প্যাকেজ-৭ এবং মেসার্স সুলতান প্যাকেজ-৮ নম্বর কাজ করছেন। মুন্সীগঞ্জ শহরের উপকন্ঠে মিরেশ্বর থেকে নয়াগাঁও এলাকা জুড়ে ওই বাঁধ নির্মানে মরা ও নিন্ম ধরনের পাথর ব্যবাহার করায় স্থানীয়রা বিক্সোভ প্রদর্শন করলে বাঁধ নিার্মন কাজ বিগত ৩ দিন ধরে থমকে গেছে।

এডিবির কনসালটেন্ট প্রকৌশলী মো: কামাল বক্স বলেন, স্তুপাকৃত ৫০ লাখ টাকার নিন্ম মানের পাথর সিরয়ে নেয়ার তাগিদ দেয়া হয়েছে। তবে দেশে এখন ভালো পাথর পাওয়া যাচ্ছে না বলে ঠিকাদাররা জানাচ্ছেন। স্থানীয় পঞ্চসার ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান হাবিব বলেন, এলাকাবাসী ওই বাঁধ নিমার্নে মরা পাথরের ব্যবহার মেনে নিবে না। তারা ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছেন ঠিকাদারের বিরুদ্ধে। মরা-পঁচা পাথর দিয়ে শহর রক্ষা ও বন্যা নিয়ন্ত্রন বাঁধ নির্মান শুরুতেই অনিয়ম হচ্ছে। এ প্রসঙ্গে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান হাসান অ্যান্ড ব্রাদার্সের ম্যানেজার মোর্শেদ উন-নবী বলেন, সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে পাথর ব্যবহারের নিষেধ করা হয়েছে। তবে এ বিষয়ে ব্যবস্থা করবেন ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের মালিক।

[ad#co-1]