মুন্সীগঞ্জে নীরবে গ্যাস সঙ্কট নিরসন গৃহিণীরা খুশি

নতুন লাইনে গ্যাস সরবরাহ করার পর মুন্সীগঞ্জে গ্যাস সঙ্কট দূর হলো নীরবে। হঠাৎ বৃহস্পতিবার রাত থেকে চুলোগুলোতে গ্যাস ভরপুর! কিন্তু কেন এমনটি হলো সাধারণ গ্রাহকরা তো দূরের কথা সাংবাদিকরাও(!) খবর রাখে না। আর তাই শুক্রবারের পত্রিকায়ও এসেছে ‘তীব্র গ্যাস সঙ্কটে আন্দোলনের পথে মুন্সীগঞ্জবাসী।’ তিতাস গ্যাস কতর্ৃপ জানিয়েছে, সমস্যা অনেকাংশেই লাঘব হয়েছে। এখন প্রকট আকার ধারণের আশঙ্কা নেই। মুন্সীগঞ্জের রান্না ঘরের ১০ হাজার চুলা অনত্মত ঠিকমতো জ্বলবে। এছাড়া ৪০টি ভারি শিল্প প্রতিষ্ঠান এবং ৪২টি বাণিজ্যিক গ্রাহকেরও গ্যাস শঙ্কট হ্রাস পাবে। তিতাস গ্যাসের এমডি আব্দুল আজিজ খান শুক্রবার দুপুরে জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার কমিশনিং করার পর অবস্থার অনেক উন্নতি হয়েছে। তাই মুন্সীগঞ্জবাসীর কষ্ট থাকার কথা নয়।

সহকারী ব্যবস্থাপক হাসিবুল ইসলাম জানান, মুন্সীগঞ্জে গ্যাসের চাহিদা ৩০/৩৫ লাখ ঘন ফুট। তবে বৃহস্পতিবার থেকে এর অধিকাংশই সরবরাহ হচ্ছে। তিনি জানান, ১২ ইঞ্চি এই নতুন পাইপ লাইনটি থেকে কোন গ্রাহককেই সংযোগ দেয়া হয়নি এবং হবেও না। এই লাইনটি সরাসরি মুক্তারপুরের ডিস্ট্রিক রেগুলেটরিং সিস্টেমের সঙ্গে যুক্ত হওয়ায় এর সুবিধা ধলেশ্বরীর ওপারে মুন্সীগঞ্জ শহরসহ এই ডিআরএস-এর আওতায় থাকা সকল গ্রাহক সুবিধা ভোগ করবে। এর আগে এই ডিআরএস পর্যনত্ম মাত্র ৮ ইঞ্চি লাইনে গ্যাস সরবরাহ হতো। আর এই লাইন থেকে পথে পথে বহু সংযোগ দেয়া হয়েছে নারায়ণগঞ্জ এলাকায়ও। এর পর সিমেন্ট ফ্যাক্টরিসহ ভারি শিল্প প্রতিষ্ঠানে গ্যাস জেনারেটর চালু করার পর এখানে সঙ্কট প্রকট আকার ধারণ করেছিল।

কমিশনিংয়ের পর মুন্সীগঞ্জের গ্রাহকরা খুব খুশি। অনেক গৃহিণী অন্যান্য দিনের মতো গ্যাস যাওয়ার আশঙ্কায় ভোর থেকে উঠে রান্না শুরম্ন করেন। কিন্তু গ্যাসের চাপ শুক্রবার ভাল থাকায় বিস্মিত। শ্রীপলস্নীর শামিমা বেগম জানান, শুধু দুপুরে ১টা পর্যনত্ম এক ঘণ্টা চাপ কম ছিল। আর বৃহস্পতিবার রাত থেকেই ভাল অবস্থা গ্যাসের। অথচ এই শ্রীপলস্নী এলাকায়ই সবচেয়ে নাজুক অথর্াৎ গ্যাস দিনের অধিকাংশ সময়ই শূন্যের কোঠায় ছিল।

[ad#co-1]