মুন্সীগঞ্জে বোমা তৈরির প্রতিযোগিতা!

১২ দিনে দু’দফা বিস্ফোরণ ও ১০ বোমা উদ্ধার
কাজী দীপু, মুন্সীগঞ্জ থেকে:
মুন্সীগঞ্জের চরাঞ্চল ফের উত্তপ্ত করতে প্রভাবশালীমহল বোমা তৈরির প্রতিযোগিতায় নেমেছে। মাত্র ১২ দিনের ব্যবধানে বোমা তৈরির সময় দু’দফা বিস্ফোরণে ৯ জন আহত হয়েছে এবং ১০টি তাজা ককটেল উদ্ধারের ঘটনা তারই আলামত বলে চরাঞ্চলবাসী দাবি করেছেন। তারা আরো বলেছেন, ইউপি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে একের পর এক নাশকতা ঘটিয়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি করতে প্রভাবশালী মহলগুলো ইন্ধন দিচ্ছে। কিন্তু পুলিশ বোমা তৈরির ইন্ধনদাতাদের পরিচয় জানতে পেরেও তাদের গ্রেফতার না করায় নিরাপত্তাহীন পরিবেশ বিরাজ করছে সর্বত্র।

গত ৩০ ডিসেম্বর মহেশপুর গ্রামের মাঠে বোমা বানাতে গিয়ে বিস্ফোরণে ৪ কারিগর আহত হয়। মোল্লাকান্দি ইউনিয়নের মহেশপুর গ্রামে বিএনপি নেতা সাহাবুদ্দিন ও আ’লীগ নেতা জামাল মেম্বারের মধ্যে বিরোধের জের ধরে একটি পক্ষ বোমা বানাচ্ছিল। গত ২১ ডিসেম্বর শিলই গ্রামের সরিষা ক্ষেত থেকে পুলিশ ১০টি তাজা ককটেল বোমা উদ্ধার করে। গত ১৮ ডিসেম্বর সদরের শিলই গ্রামে শুক্রবার রাতে বোমা বানাতে গিয়ে বিস্ফোরণে ৫ জন গুরুতর আহত হয়। এর মধ্যে মানিক নামের এক যুবকের ডান হাতের কব্জি উড়ে যায়।

শিলই গ্রামের আ’লীগের হাসেম বেপারি ও আবুল মোল্লা গ্র“পের আধিপত্য নিয়ে বিরোধ থাকায় বেপারি গ্র“পের মামুন বোমা তৈরির জন্য মানিক ও সুন্দর আলীকে ভাড়া করে। গ্রেফতারের পর মানিক পুলিশের কাছে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিলেও পুলিশ মূল হোতাদের গ্রেফতার করছে না।

সদর থানার ওসি শহিদুল ইসলাম জানান, মূল হোতাদের গ্রেফতার করতে পুলিশের টিম মাঠে রয়েছে। তারা পলাতক থাকায় গ্রেফতারে বিলম্ব হচ্ছে।

[ad#co-1]