মুন্সীগঞ্জে সবজির ন্যায্য দাম পাচ্ছেন না কৃষক

মুন্সীগঞ্জে এবারও বিভিন্ন ধরনের সবজি আবাদ হয়েছে। এই অঞ্চলের সবজি সুস্বাদু বলে চাহিদাও অনেক বেশি। তাই মুন্সীগঞ্জের বেশিরভাগ সবজি রাজধানী ঢাকা এমনকি দেশের বাইরেও রফতানি হয়ে থাকে বিভিন্ন সময়। মুন্সীগঞ্জে পাইকারি দরের তুলনায় খুচরা দরের বিসত্মর ফারাক ল্য করা যাচ্ছে। প্রকৃত কৃষকরা সঠিক মূল্য পাচ্ছেন না। কিন্তু মধ্যস্বত্বভোগী ফড়িয়ারা ফয়দা লুটে নিচ্ছে। কেওয়ারের কৃষক আব্দুস সালাম জানান, এবার মুলা প্রতি হালি উৎপাদান ব্যয় হয়েছে প্রায় ৩ টাকা, কিন্তু পাইকারি দরে বিক্রি করতে হচ্ছে ২ থেকে আড়াই টাকা।

এদিকে ফুলকফি ও বাঁধাকফির গড় উৎপাদন ব্যয় প্রতিটির ৬ টাকা। বর্তমান পাইকারি দর হচ্ছে ৮/১০ টাকা। সিম কেজি প্রতি উৎপাদন খরচ ৮/১০ টাকা, বিক্রি হচ্ছে ১২/১৩ টাকা। কালো বেগুন উৎপাদন খরচ কেজিপ্রতি ৬/৮ টাকা, বিক্রি হচ্ছে ১০/১২ টাকায়। রিা উৎপাদন খরচ প্রতি কেজি ৫/৬ টাকা, বিক্রি হচ্ছে ৮/১০ টাকায়। মুন্সীগঞ্জের বিভিন্ন মোড়ে মোড়ে পাইকারি সবজির বাজার বসলেও খুচরা সবজি বিক্রি বাজার নির্ধারিত।
জেলা কৃষি সমপ্রসারণ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, চলতি রবি মৌসুমে ৩৬ হাজার ৫শ’ হেক্টর জমিতে আলু আবাদ হয়েছে। এখনও এই আবাদ চলছে। তাই এ পরিমাণ আরও বেড়ে যাবে। এ বছর দর আলু আবাদ ল্যমাত্রা ছিল ২৯ হাজার ৫৬০ হেক্টর জমি। আলু ছাড়া অন্যান্য সবজি আবাদ হয়েছে ৪ হাজার ১৫০ হেক্টর জমিতে।

[ad#co-1]