মধুর ক্যান্টিন

ভাষা আন্দোলন থেকে স্বাধীনতার আগ পর্যন্ত সব আন্দোলনের কেন্দ্রবিন্দু ছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিন। এখানে বসেই ছাত্র নেতৃবৃন্দ সব পরিকল্পনার ছক এঁকেছেন। মধুদার বানানো ধূমায়িত চা আর নাস্তা চলতে থাকা আলোচনাকে করেছে গতিশীল। বহু জায়গা ঘুরে ১৯৬৫-৬৬ সালে ডাকসু ভবনের পাশ ঘিরে স্থাপিত হয় ঐতিহাসিক মধুর ক্যান্টিন। ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ জগন্নাথ হলের মাঠে সপরিবারে নৃশংসভাবে মধুদাকে হত্যা করা হয়। মধুদা নেই কিন্তু আজও আছে সেই ক্যান্টিন। আগের মতো এখনও আড্ডা দেন সাধারণ শিক্ষার্থীসহ রাজনৈতিক-অরাজনৈতিক সব শিক্ষার্থী। এসব আড্ডায় আলোচনা-সমালোচনা ও তর্ক-বিতর্কের ঝড় আজও ওঠে। ক্যান্টিনে বসা কয়েকজন ছাত্র ক্যান্টিনে চেয়ার-টেবিলের সংখ্যা বাড়ানো এবং খাবারের মান ভালো করার দাবি জানান। মধুদার ছেলে অরুণ কুমার দে বলেন, ‘আমি আমার দায়িত্ব পালন করব, সেক্ষেত্রে আমার অধিকারের স্বীকৃতি আশা করি।’ বলা যায়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণকেন্দ্র মধুর ক্যান্টিন আমাদের জাতীয় ইতিহাসের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে আছে।

[ad#co-1]