কাওড়াকান্দি-মাওয়া নৌরুট লঞ্চ-ট্রলার ওভারলোড

ভোলার দুর্ঘটনার পর অতিরিক্ত যাত্রী বোঝাই লঞ্চসহ নৌযান চলাচলে নিষেধাজ্ঞা কঠোরভাবে প্রয়োগ করার কথা থাকলেও কাওড়াকান্দি-মাওয়া রুটে কয়েকশ’ নৌযান চলছে ধারণক্ষমতার কয়েকগুণ বেশি যাত্রী নিয়ে। বিআইডবিল্গউটিএর সংশিল্গষ্ট কর্মকর্তাকে ম্যানেজ করেই রুটটিতে ঝুঁকির মধ্য দিয়ে হাজার হাজার যাত্রী পদ্মা নদী পাড়ি দিচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

বিআইডবিল্গউটিএ সূত্র জানায়, স্বজনদের ছেড়ে কর্মস্থল রাজধানী ঢাকা ও আশপাশের এলাকায় ফিরতে শুরু করেছে মানুষ। তাই গত দু’দিন ধরে কাওড়াকান্দি-মাওয়া রুটে মানুষের ঢল নেমেছে। ফলে এ রুটের ৮২টি লঞ্চ, ৩ শতাধিক স্পিডবোট ও অর্ধশতাধিক ইঞ্জিনচালিত ট্রলার ধারণক্ষমতার চেয়ে অতিরিক্ত যাত্রী নিয়ে ১৬ কিলোমিটার দূরত্বের পদ্মা নদী পারাপার হচ্ছে। স্পিডবোট ও ট্রলারগুলোতে আলোকবাতি না থাকলেও গভীর রাত পর্যন্ত এ নৌযানগুলোকে চলতে দেখা যাচ্ছে। এর মধ্যে লঞ্চ ছাড়া বাকি নৌযানগুলোর চলাচলের বৈধতা নেই। এছাড়াও দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আসা বাস-মাইক্রোবাসসহ সব পরিবহনেই আদায় করা হচ্ছে দেড় থেকে আড়াইগুণ ভাড়া। অপরদিকে নাব্যতা সংকটে এ রুটের ফেরিগুলো ধারণক্ষমতার চেয়ে কমসংখ্যক যানবাহন নিয়ে পার হতেও সময় লাগছে ৩-৪ ঘণ্টা। কাওড়াকান্দি লঞ্চ মালিক সমিতির সভাপতি আতাহার বেপারী জানান, ঈদের সময়টাতে যাত্রীদের চাপ থাকে। তবু ওভারলোড ঠেকাতে সময় কমিয়ে লঞ্চের ট্রিপ বাড়ানো হয়েছে।

শিবচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আঃ জলিল জানান, ওভারলোডসহ যে কোনো ধরনের দুর্ভোগ ঠেকাতে পর্যাপ্ত ফোর্স ও পুলিশ কর্মকর্তা ঘাট এলাকায় মোতায়েন আছে। যাত্রীর চেয়ে এ রুটে নৌযান অনেক কম। আমরা এ রুটে বৈধ নৌযান বাড়াতে নৌমন্ত্রীকে অনুরোধ জানিয়েছি।

[ad#co-1]