মাওয়ায় ১০ ও ধলেশ্বরী সেতুতে পাঁচ কিমি

ঈদের আগের দিন শুক্রবার ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কে ঘরমুখো মানুষকে চরম দুর্ভোগে পড়তে হয়। মাওয়া ফেরিঘাট থেকে ১০ কিলোমিটার দূরে শ্রীনগর উপজেলার ষোলঘর পর্যন্ত যানজট ছড়িয়ে পড়ে। আর একই মহাসড়কের ধলেশ্বরী সেতুতে টোল আদায়ের অব্যবস্থাপনার কারণে ৫ কিলোমিটার দীর্ঘ যানজটে নাকাল হয় ঘরমুখো মানুষ। যানজটে ঘন্টার পর ঘন্টা আটকে থেকে অনেকেই নিজ পরিবহন ফেলে দীর্ঘ পথ হেঁটে মাওয়া ঘাটে গিয়ে লঞ্চ, সিবোট ও ট্রলারযোগে পদ্মা পাড়ি দিয়ে ওপার হতে বিভিন্ন পরিবহনে নিজ নিজ গন্তব্যে পেঁৗছে। স্থানীয় প্রশাসন যানজট নিরসনে বিগত রমজানের ঈদের মক পুরোপুরি সফল হতে পারেনি। লৌহজংয়ের ইউএনও মাহমুদুর রহমান বলেছেন, একযোগে শুক্রবার সব গাড়ি গন্তব্যে রওনা হওয়ায় এমনটি হয়েছে।

ধলেশ্বরী সেতু টোল আদায়ের অব্যবস্থাপনার কারণে ঘরমুখো মানুষকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা যানজটে স্থায়ী হয়। কুচিয়ামোড়ার এই সেতু থেকে ঢাকার কাছে আব্দুল্লাপুর পর্যন্ত যানজটের কারণে দক্ষিণবঙ্গসহ গোটা বিক্রমপুরের মানুষ চরম বিড়ম্বনায় পড়ে। এ ছাড়া মাওয়া ঘাটে সিবোট সার্ভিসের ভাড়া ছিল চোখে পড়ার মতো। এখানে যাত্রীদের নিকট থেকে যেমন খুশি ভাড়া আদায় করা হয়েছে। প্রশাসনের থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের ব্যাপারে কড়াকড়ি আরোপ করা হলেও সিবোটের অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের ব্যাপারে দেখার মতো তেমন কেউ ছিল না।
ঈদের দিন মাওয়া ঘাটে তেমন কোন যানজট লক্ষ্য করা যায়নি। বেলা ১২টার মধ্যেই ট্রাকসহ সকল প্রকার যানবাহনশূন্য হয়ে পড়ে মাওয়া ঘাট। তবে বিকেলের দিকে হালকা যানজট ছিল। ঈদের পর দিন রবিবারও মাওয়া ঘাটে গাড়ি পারাপারের চাপ ছিল প্রচুর। বিশেষ করে প্রাইভেট কার ও মাইক্রোবাসের চাপ ছিল চোখে পড়ার মতো। এ সময় ঘাট এলাকায় যানজট সৃষ্টি হয়। তবে সন্ধ্যার মধ্যেই তা স্বাভাবিক হয়ে যায়। সোমবার লোকাল বাসস্ট্যান্ডগুলো চৌরাস্তা থেকে পুনরায় মাওয়া ঘাটে চলে গেলে লোকাল বাসের এলোমেলো পার্কিংয়ের কারণে মাওয়া ঘাটে ফেরি পারাপারে মারাত্মক প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি হয়।

[ad#co-1]