এ বছরের মধ্যেই পদ্মা সেতুর ভূমি অধিগ্রহণ ও টেন্ডারের কাজ সম্পন্ন হবে: অর্থমন্ত্রী

বিশ্ব ব্যাংক কর্মসূচির ওপর আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠক অনুষ্ঠিত
চলতি ২০০৯ সালের মধ্যেই পদ্মা সেতুর ভূমি অধিগ্রহণ ও টেন্ডারের কাজ সম্পন্ন হবে। আগামী ১০ অক্টোবর এর অর্থায়ন কিভাবে হবে তার চূড়ান্ত বিবরণ পাওয়া যাবে। তবে ভূমি অধিগ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকদের কাছে টাকা পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে। গতকাল বিশ্বব্যাংক কর্মসূচি সমূহের ওপর আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠক শেষে প্রেস ব্রিফিংয়ে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, সভায় পদ্মা ব্রিজের বিভিন্ন প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা হয়েছে। সেতু তৈরির জন্য সম্ভাব্য ব্যয় হবে ১ দশমিক ৮ কিংবা ৯ বিলিয়ন টাকা। এক্ষেত্রে বন্ড ছেড়ে ৫০০ মিলিয়ন ডলার সংগ্রহ করা হবে। এ বন্ড প্রবাসী ও দেশীয় বিনিয়োগকারী উভয়ের জন্যই ছাড়া হবে।

তিনি আরো বলেন, পদ্মা সেতুর ডিজাইন সম্পর্কেও বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। সেতু কংক্রিট কিংবা স্টিল কি দিয়ে হবে সে সম্পর্কে এবং এর সৌন্দর্য নিয়েও আমাদের কোনো মতামত নেই। তবে আমরা বলেছি ডিজাইনে রেল রাস্তা স্থাপনের ব্যবস্থা রাখতে হবে। এছাড়া বৈঠকে ওয়াটার রিসোর্স প্রোগ্রামের জন্য মহাপরিকল্পনা তৈরির নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এছাড়া আমাদের বিদ্যুৎ ও জ্বালানিখাতের উন্নয়নে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে বেশ কিছু প্রস্তাবনা গৃহীত হয়েছে বলে অভিহিত করেছেন অর্থমন্ত্রী। এগুলো পুনরায় যাচাই বাছাই করে মহাপরিকল্পনা করে সময় নির্দিষ্ট করে অভিহিত করার জন্য বৈঠকে বলা হয়েছে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, আমাদের পানি নিষ্কাশনের ভালো ব্যবস্থা নেই। তাই বারবার জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। এজন্য প্রয়োজন নাব্যতা সৃষ্টি ও নিয়মিত ড্রেইজিং। আমাদের দক্ষিণ পশ্চিম অংশের জলাবদ্ধতা নিরসন করা হবে গোড়াইকে দিয়ে। এর নাব্যতা কাজে বিশ্বব্যাংক, ডেনমার্ক-এর সহযোগিতা নেয়ার বিষয়ে সভায় আলোচনা হয়েছে।

সভায় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পানিমন্ত্রী রমেশ চন্দ্র সেন, খাদ্যমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক, যোগাযোগমন্ত্রী আবুল হোসেন, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উপদেষ্টা ড. মশিউর রহমান, অর্থসচিব ড. মোহাম্মদ তারেক, ইআরডি’র অতিরিক্ত সচিব মোশারফ হোসেন ভ্ইূয়া প্রমুখ।

[ad#co-1]