মুন্সীগঞ্জ জেলা বিএনপি’র পাল্টাপাল্টি আহ্বায়ক কমিটির প্রস্তাব

মুন্সীগঞ্জ জেলা বিএনপি’র আহ্বায়ক কমিটি নিয়ে পাল্টাপাল্টি প্রস্তাব অনুমোদন জমা দেয়া হয়েছে। আহ্বায়ক মিজানুর রহমান সিনহার জমা দেয়া ৫১ সদস্যের কমিটি মনঃপুত না হওয়ায় শামসুল ইসলাম গ্রুপ পাল্টা কমিটি অনুমোদনের জন্য জমা দিয়েছে। এ নিয়ে উভয় গ্রুপের দ্বন্দ্ব এখন নেতাকর্মীদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়েছে। বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির সদস্য এম শামসুল ইসলাম গ্রুপের জমা দেয়া কমিটিকে পকেট কমিটি হিসেবে দাবি করেছে তৃণমূল নেতাকর্মীদের একাংশ। এই কমিটিতে রয়েছে এম শামসুল ইসলাম, যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে তার ছেলে সাইফুল ইসলাম, শহর বিএনপি’র সভাপতি যুগ্ম আহ্বায়ক শাহজাহান সিকদার, তার বোন রহিমা বেগম সিকদার, যুগ্ম আহ্বায়ক কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলনেতা মীর সরফত আলী সপু ও তার ভাই মীর নেওয়াজ আলীর নাম। পরিবারের সদস্যদের কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করায় দারুণ ইমেজ সঙ্কটে পড়েছেন শামসুল ইসলাম। ওদিকে আহ্বায়ক সাবেক স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী মিজানুর রহমান সিনহার কমিটিতেও অনেক সিনিয়র নেতার স্থান হয়নি। এ কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক শাহজাহান সিকদার, যুগ্ম আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম বাবু, যুগ্ম আহ্বায়ক রহিমা বেগম সিকদার ও যুগ্ম আহ্বায়ক মীর সরাফত আলী সপু স্বাক্ষরিত পাল্টা কমিটিকে আহ্বায়ক মিজানুর রহমান সিনহাসহ ৯ যুগ্ম আহ্বায়কের নাম অপরিবর্তিত রেখে ৫১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি জমা দেয়া হয় গত ২৬শে জুন। তবে ৫১ সদস্যের উভয় কমিটিতে ২৩ জনের নামের মিল রয়েছে। এম শামসুল ইসলাম ও শাহজাহান সিকদার এবং মিজানুর রহমান সিনহা ও জেলা বিএনপি’র সাবেক সভাপতি যুগ্ম আহ্বায়ক আবদুল হাই গ্রুপের সৃষ্ট দ্বন্দ্বের প্রভাব বিস্তার ও ক্ষমতার লড়াই নিয়ে এ পাল্টাপাল্টি কমিটি গঠিত হয়েছে বলে নেতাকর্মীরা জানান।