মধু দা’ ও মধুর কেন্টিন আমাদের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির অংশ: শিক্ষামন্ত্রী

‘মুক্তিযুদ্ধ আমাদের অহংকার, মধু দা আমাদের প্রেরণা’ গতকাল মধুদা‘র স্মরণসভায় বক্তারা এসব কথা বলেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক আআমস আরেফিন সিদ্দিকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ, রাশেদ খান মেনন মেনন, মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম, মাহমুদুর রহমান মান্না, আখম জাহাঙ্গীর হোসেন, সাবেক প্রতিমন্ত্রী আমান উল্লাহ আমান, খায়রুল কবির খোকন, শরীফ নুরুল আম্বিয়া, নাজমুল হক প্রধান, ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, সফি আহমেদ, ওবায়দুর রহমান চুন্নু, প্রমুখ।এসময় উপস্থিত ছিলেন ক্যাম্পাসে ক্রিয়াশীল সকল ছাত্রসংগঠনের কেন্দ্রীয় ও বিশ্ববিদ্যালয় শাখার নেতারা।

নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেন, মধু দা’ ও মধুর কেন্টিন আমাদের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির অংশ। তিনি বলেন, সবার জন্য সার্বজনীন, গণমুখী, বিজ্ঞান সম্মত ও প্রগতিশীল শিক্ষা ব্যবস্থা প্রণয়ন করা দরকার। অতীতের সকল শিক্ষানীতি পর্যালোচনা করে ত্র“টিমুক্তভাবে একটি শিক্ষানীতি প্রণয়নের কাজ চলছে।

রাশেদ খান মেনন বলেন, ডাকসু না থাকায় লেজুড়বৃত্তির রাজনীতি বাড়ছে। অগণতান্ত্রিক সরকারের সময়ও ডাকসু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। ছাত্ররাজনীতির গুণগত পরির্বতন আনতে হলে অবিলম্বে ডাকসু নির্বাচন করতে হবে।

ডাকসুর সাবেক ভিপি ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী আখম জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, মধুর কেন্টিনে সাম্প্রদায়িক রাজনীতি কখনও স্থান পায়নি, পাবেও না।

ডাকসুর সাবেক ভিপি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম বলেন, মধুদা ছিলেন অসাম্প্রদায়িক, গণমুখী ও প্রগতশীল রাজনীতির ধারক ও বাহক। তার হত্যাকাণ্ডের বিচার যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের মাধ্যমেই সম্ভব।

http://www.munshigonj.com/Famous/Madu.htm