গজারিয়ায় এপিআই শিল্কপ্প পার্কের বিরুেব্দ ফুঁসে উঠছেন কৃষকরা

তিন ফসলী জমিতে এপিআই শিল্কপ্প পার্ক নির্মাণের সি™ব্দাšেøর বিরু™েব্দ ফুঁসে উঠেছেন মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার মধ্য বাউশিয়া গ্রামের কৃষকরা। চলতি বছরের ২১ এপ্রিল জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মধ্য বাউশিয়া গ্রামের ৩০৪ জন কৃষকের ২শ’ একর জমি অধিগ্রহণের জন্য জমির মালিকদের কাছে নোটিশ পাঠানো হয়। জমির মালিকদের অনেকেই জেলা প্রশাসনের পাঠানো ওই নোটিশ গ্রহণ করেননি।
কৃষকরা সমকালকে জানান, গজারিয়া উপজেলার মধ্যে এমন অনেক জমি রয়েছে, যা বছরের পর বছর অনাবাদি পড়ে থাকে। অথচ অনাবাদি জমি অধিগ্রহণ না করে তিন ফসলী জমি অধিগ্রহণের সি™ব্দাšø নেওয়া কখনোই দেশের জন্য শুভ হতে পারে না। এদিকে জমির মালিকরা তিন ফসলী জমি অধিগ্রহণের বিরু™েব্দ জেলা প্রশাসনের কাছে আপত্তি জানিয়েছেন। কৃষকদের আপত্তির পরিপ্রেক্ষিতে মঙ্গলবার জেলা প্রশাসনের সভাকক্ষে জমির মালিকদের শুনানি হয়। এতে মধ্য বাউশিয়া গ্রামের ৩০৪ কৃষক শুনানিতে অংশ নেন। এ সময় জেলা প্রশাসক মোঃ মোশারফ হোসেন, এডিসি গিয়াসউদ্দিন মোগল ও শিল্কপ্প পার্কের প্রজেক্ট ডাইরেক্টর মুশফিকুর রহমান উপস্টি’ত ছিলেন। মধ্য বাউশিয়া গ্রামের কৃষক মকবুল হোসেন রতন বলেন, গজারিয়ার চর বাউশিয়া এলাকায় অনেক অনাবাদি জমি রয়েছে সেখানে তিন ফসলী জমিতে শিল্কপ্প পার্ক করা যুক্তিসঙ্গত নয়। এতে কৃষকরা সর্বস্ট^াšø হয়ে যাবেন। জমির মালিক কৃষক আবু সুফিয়ান বলেন, তার ১ একর ৬৫ শতাংশ তিন ফসলী জমি অধিগ্রহণ করা হবে বলে নোটিশ পাঠিয়েছে প্রশাসন। এসব জমি অধিগ্রহণ করা হলে আমরা ক্ষতির সল্ফ§ুখীন হবো। আমার মতো শত শত কৃষক ক্ষতিগ্রস্টø হবেন।
এ প্রসঙ্গে মুন্সীগঞ্জ জেলা প্রশাসক মোঃ মোশারফ হোসেন বলেন, জমিগুলো উর্বর হলেও রা®েদ্ব্রর বৃহত্তর স্ট^ার্থে এপিআই শিল্কপ্প পার্ক নির্মাণের সি™ব্দাšø নেওয়া হয়েছে।