‘যখন যা চেয়েছি তাই পেয়েছি, কোনো ব্যর্থতা নেই’

DrIajuddin2বই লিখবেন ইয়াজউদ্দিন
বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল বাংলাভিশনে ‘পয়েন্ট অব অর্ডার’ নামে একটি সাক্ষাৎকার অনুষ্ঠান গত রোববার প্রচারিত হয়। এদিন অতিথি ছিলেন বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রপতি অধ্যাপক ড. ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদ। অনুষ্ঠানের উপস্থাপিকা ছিলেন কাজী জেসিন আহমেদ। তার সঙ্গে ওই আলোচনায় ২০০৭-২০০৮ সালে দেশ গণতন্ত্র থেকে কী কারণে বঞ্চিত, কেনো মৌলিক অধিকার হরণ হয়েছিল, কেন ওয়ান ইলেভেনের জš§ হয়েছিল, কীভাবে দুই নেত্রীকে গ্রেফতার করা হয়েছে, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব নেয়ার জন্য কারো চাপ ছিল কিনা, জরুরি অবস্থা কীভাবে জারি হয়েছিলÑ এসব বিষয় অধ্যাপক ড. ইয়াজউদ্দিনের কাছ থেকে জানার চেষ্টা করা হয়েছে। আলোচনায় ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদ কিছু বিষয় বলেছেন, আবার কিছু বিষয় প্রকাশ করতে অনীহা প্রকাশ করেছেন। আলোচনার শুরুতে ইয়াজউদ্দিন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় নিয়েও আলোচনা করেছেন। আমাদের সময়ের পাঠকদের জন্য পুরো অনুষ্ঠানটি হুবহু তুলে ধরা হল।

প্রশ্ন: শিক্ষাবিদ থেকে রাষ্ট্রপতি হয়েছেন, এই পেশাকে কতটুকু উপভোগ করেছেন?

ইয়াজউদ্দিন: শিক্ষকতা আমি অনেক উপভোগ করেছি। এই আনন্দ শিক্ষকতা পেশায় না আসলে উপভোগই করতে পারতাম না। শিক্ষকতা পেশাই মানুষকে দায়িত্ববান করে তোলে।

প্রশ্ন: সেখান থেকে আপনি রাষ্ট্রপতি হয়ে এলেন? আপনার কি কখনো স্বপ্ন ছিল দেশের অভিভাবক হিসেবে দায়িত্ব নিবেন?

ইয়াজউদ্দিন: না, এই স্বপ্ন কোনোদিনই ছিল না। শিক্ষকতাতেই আত্মনিয়োগ করবÑ এটাই স্বপ্ন ছিল। এখান থেকে যে আমি অন্যপথে যাবো তার কোনো চিন্তাভাবনাও ছিল না।

প্রশ্ন: দায়িত্ববদলের কারণ ও কোন প্রেক্ষাপটে এটি হলোÑ একটু খুলে বলবেন কি?

ইয়াজউদ্দিন: বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন ও পাবলিক সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যান থাকাকালেই আমার কাজের পরিধির পরিবর্তন হয়।

প্রশ্ন: বলা হচ্ছে, দেশে নতুন নতুন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে এবং এখানে পড়াশোনা হচ্ছে না, আপনিতো ওখানে চেয়ারম্যান ছিলেন, আপনার সময় এসব বিশ্ববিদ্যালয়ের কতটুকু পরিবর্তন আনতে পেরেছিলেন?

ইয়াজউদ্দিন: বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আমার জীবনের অন্যতম পথপ্রদর্শক। এখানে অনেক সুন্দর শিক্ষা দেয়া যায়। আমি মনে করি প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের মাধ্যমেই শিক্ষাব্যবস্থাকে আরো এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে।

প্রশ্ন: কিন্তু বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সার্টিফিকেট বাণিজ্য হয়, এগুলোতে পড়াশোনা হয় না বলেও অভিযোগ রয়েছে?

ইয়াজউদ্দিন: অভিযোগটি সত্য নয়। এখানে পড়াশোনা হয় না, কথাটি ঠিক না। পড়াশোনা হচ্ছে নিজের কাছে।

প্রশ্ন: রাষ্ট্রপতি কীভাবে হলেন?

ইয়াজউদ্দিন: এটা আল্লাহতাআলাই করে দেন। এটা নিয়ে এত চিন্তিত হওয়ার কিছু নেই।

প্রশ্ন: গত দুটি বছর আপনার বিরুদ্ধে অনেক সমালোচনা হয়েছে, কিন্তু আপনি কোনো প্রতিক্রিয়া দেখাননি, এতে বোঝা যায় আপনি খুব সহনশীল, এ ব্যাপারে কিছু বলেন?

ইয়াজউদ্দিন: ওই যে বললাম সবই আল্লাহতালাহ দিয়েছেন। মূলত সহ্যশক্তি, আন্তরিকতা আল্লাহ তৈরি করে দেন।

প্রশ্ন: গত দু’বছরে আপনার বিরুদ্ধে সমালোচনা বেশি হয়েছে, বিশেষ করে এই সমালোচনা ওয়ান ইলেভেনকে কেন্দ্র করেই বেশি হয়েছেÑ আপনি যদি একটু বলেন?

ইয়াজউদ্দিন: আমি এগুলো বিশ্বাস করি না, সাত-আটবার এসব প্রচারণা হয়েছে। আমি বিশ্বাস করি না, একইভাবে রটানো হয়েছে। ওই যে বললাম, আল্লাহই দিয়েছে, সুতরাং কেউ করে দিয়েছেÑ এটা ঠিক নয়।

প্রশ্ন: আপনি বলছেন, গত দু’বছরে অনেক ভালো কাজ হয়েছে, আপনি যদি একটু বলতেনÑ কী ভালো কাজ হয়েছে?

ইয়াজউদ্দিন: সবচেয়ে বেশি ভালো কাজ হয়েছে কৃষিতে। সুষ্ঠু সুন্দর কাজ হয়েছে। আরো কিছু সুন্দর কাজ নিয়ে অগ্রসর হয়েছি। সেই হিসেবে বলিÑ কাজ হিসেবে অনেক নতুন নতুন কাজ হয়েছে।

প্রশ্ন: নতুন অনেক কাজ হয়েছে, রাজনীতিকদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে, বিশেষ করে দুই প্রধান রাজনৈতিক দলের প্রধানকেও গ্রেফতার করা হয়েছেÑ এই বিষয়কে আপনি কীভাবে দেখেন?

ইয়াজউদ্দিন: সেটা আপনার কাছে বলি, গ্রেফতার হয়েছে সত্যি, তবে এতে কাজেরও অগ্রগতি হয়েছে। যেমন মানুষ হিসেবে যদি ভালো কাজ করতে পারিÑ সে হিসেবে ভালো কাজ হয়েছে।

প্রশ্ন: মানুষ হিসেবে কাজ করা ভালো, কিন্তু গ্রেফতারি পরোয়ানা ছাড়া গ্রেফতার করা কতটুকু ভালো?

ইয়াজউদ্দিন: এটা কঠিন প্রশ্ন, গ্রেফতারি পরোয়ানা কিছু হয়েছে, তাতে কিন্তু অনেক মানুষ বেঁচে গেছে।

প্রশ্ন: কারা বেঁচে গেছে, কাদের হাত থেকে বেঁচে গেছে?

ইয়াজউদ্দিন: রাস্তাঘাটের লোকজন বেঁচে গেছে, ওইভাবে যদি হতো, তাহলে সাধারণ জনগণের ক্ষতি হতো। কিন্তু এভাবে তো হয়নি।

প্রশ্ন: জরুরি বিধিমালায় হয়তো গণগ্রেফতার হয়নি, কিন্তু গণহারে রাজনীতিকদের গ্রেফতার করা হয়েছে এবং সে মামলাগুলোও পরে টেকেনি। দুদক কি আপনার পরামর্শ নিয়ে কাজগুলো করেছিল?

ইয়াজউদ্দিন: আমি তো বলবো, আমার কথা ছাড়া কোনো কাজই হয়নি। আমি মনে করিÑ সেভাবে গ্রেফতারি পরোয়ানাও করা হয়নি।

প্রশ্ন: দুই নেত্রীকে গ্রেফতারের সময় আপনার পরামর্শ নেয়া হয়েছিল?

ইয়াজউদ্দিন: সেগুলোতো অফকোর্স নেয়া হয়েছে। দুই নেত্রীর বিষয়, আমার পরামর্শ ছাড়া কীভাবে হবে? যা হয়েছে তা অত্যন্ত নির্দ্বিধেই হয়েছে। এভাবে না হলে মাচ পিপল ক্ষতিগ্রস্ত হত, এটা কিন্তু হয়নি।

প্রশ্ন: ওয়ান ইলেভেন নিয়ে কিছু বলুন, এটা কি এমনিতেই ঘটেছিল? আপনার পক্ষ থেকে হয়েছে, নাকি সবকিছু রেডি ছিল শুধু কাগজে সই করতে বলা হয়েছে?

ইয়াজউদ্দিন: এসব জিনিসতো আলোচনা করতে এখানে আসেনি, এখানে আসছি কৃষি নিয়ে আলোচনা করতে, এগুলো পরে আলোচনা করা যাবে।

প্রশ্ন: নির্বাচনকে সুষ্ঠু করা নিয়ে সেদিন ১২টা থেকে ২টা পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে বৈঠক করলেন, এর একটু পর ওইদিনই আপনার কাছে তিনবাহিনীর প্রধান এসেছিলেন, তারা কী বললেন আপনার সঙ্গে?

ইয়াজউদ্দিন: দেশের অবস্থার কথাই বলেছেন। এসময় আমিও তাদের সঙ্গে এগ্রি করেছি। এগ্রি না করলে এটা হতো না, এগ্রির মধ্যেই শুভ ফল করেছে এবং আমি চাই যেভাবে এটা হয়েছে তাতে শুভদিক সুন্দর রাখুক।

প্রশ্ন: আপনি সেদিন ভাষণ দিয়েছেন, এতে আপনি রাষ্ট্রের অভিভাবক হিসেবে অনেকগুলো কথা বলেছেন, এগুলোর মধ্যে রয়েছেÑ ‘অস্থির পরিস্থিতির মধ্যে আছি’। তাই যদি হয়Ñ তাহলে এ বিষয়টি কি আগে আপনার বিবেচনায় আসেনি?

ইয়াজউদ্দিন: আমি যেটা বুঝিÑ এগুলো আল্লাহতালাহ করেছেন। সেই হিসেবে আমরা খারাপ কিছু করিনি।

এসময় সাংবাদিক ও কলামিস্ট বদরুদ্দিন ওমর ইয়াজউদ্দিনকে প্রশ্ন করেনÑ ১১ জানুয়ারি জরুরি অবস্থা জারি হয়েছে, প্রধান উপদেষ্টার পদ থেকে ইস্তফা দিলেন, এটা তিনি কীভাবে করলেন, এটা কি আল্লাহর কাছ থেকে নির্দেশনা পেয়েছিলেন না অন্যকিছু?

ইয়াজউদ্দিন: যা করেছি বুঝেশুনেই করেছি। এগুলো নরমাল কাজের মতই করেছি। এছাড়া মানুষের ওপর আমার অগাধ বিশ্বাস আছে।

প্রশ্ন: কী বিশ্বাস?

ইয়াজউদ্দিন: ওই যে বললাম গ্রেফতারি পরোয়ানা।

প্রশ্ন: পদত্যাগ কি নিজের ইচ্ছায় করেছেন না কেউ কাগজ নিয়ে এসে বলেছে এখানে সই করুন অর্থাৎ আপনার সঙ্গে কেউ কি ইনসিস্ট করেছে?

ইয়াজউদ্দিন: আমার বিশ্বাস শুভ ফলের দিক থেকেই পদত্যাগ করেছি।

প্রশ্ন: ঘটনাটি কি আপনার মাথায় আসলো না অন্যকিছু?

ইয়াজউদ্দিন: ওটা তা নয়, কাগজ দিয়ে গেছে তা নয়। আমি বিশ্বাস করেছি ভালো কাজ ভালো দিকেই যায়।

প্রশ্ন: তারপর পদত্যাগপত্র পাঠিয়ে দিয়েছিলেন, না কেউ নিতে এসেছিল?

ইয়াজউদ্দিন: পাঠানো আর কী, ওইভাবে লিখেছিলাম। অর্থাৎ পদত্যাগপত্র আসলো আর সই করলাম।

প্রশ্ন: জরুরি বিধিমালা কি দরকার ছিল? গণতান্ত্রিক সরকারের রাষ্ট্রপতি হয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নিতে আপনার কি কোনো বাধা আসছিলো মনে?

ইয়াজউদ্দিন: মনে তো বাধা সবসময়ই আসে। কিছু করতে হলেই বাধা আসে।

প্রশ্ন: অবসর সময় এখন কেমন লাগে?

ইয়াজউদ্দিন: এখন খুব খারাপ লাগে। সত্যি কথা বলতে কীÑ ওই সময়ে যত সুবিধা পেয়েছি তা এখন পাচ্ছি না। একবারে যে কর্মহীন ছিলাম তা না, আমরা সবসময়ই কর্মের মধ্যে ছিলাম। সুবিধাটুকু যদি প্রাপ্য হিসেবে থাকতো তাহলে আরো অনেক কাজ করতে পারতাম। আমি ওটাই হারিয়েছি বলে মনে করি।

প্রশ্ন: ভবিষ্যতে কী করবেন, কী পরিকল্পনা আছে?

ইয়াজউদ্দিন: ভবিষ্যতে বই লিখবো। নিজের কথা প্রকাশ করবো।

প্রশ্ন: আপনি বলছেন, কাজ করতে গেলে বাধা আসে, জরুরি অবস্থার দায় সংক্রান্ত কোনো কাগজে সই করতে আপনার কি সাবেক কোনো রাষ্ট্রপতির কথা মনে হয়েছিল?

ইয়াজউদ্দিন: আমার এরকম কোনো কিছু মনে হয়নি, আমি কাজ নিলাম হাতে এবং শুরু করলাম। সবকিছুই আমার কাছে শুভময় হয়ে উঠেছিল।

প্রশ্ন: জরুরি বিধিমালার কি যৌক্তিক দিক ছিল?

ইয়াজউদ্দিন: এসব জিনিস যদি একটু পরে বলতেন তাহলে ভালো হত।

প্রশ্ন: এসব কি বইয়ের জন্য রাখছেন, আমাদের একটু জানান?

ইয়াজউদ্দিন: আমি চাই এগুলো বইয়ে থাকুক।

এসময় টেলিফোনে নারায়ণগঞ্জ থেকে শামছুল আলম নামে এক দর্শক (ইয়াজউদ্দিনের ছাত্র পরিচয়দানকারী) ফোন করে প্রশ্ন রেখে বলেন, স্যার আপনি নির্বাচিত সরকারের রাষ্ট্রপতি ছিলেন, আপনার সময় জরুরি অবস্থা ছিল, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ছিলেন, অনেক দেখেছেন, অনেক অভিজ্ঞতা, আপনার বিরুদ্ধে সংবিধান লঙ্ঘনের প্রশ্নও এসেছে। আপনার নামে এসব এসেছে, আমরা কিছুই জানি নাÑ আমাদের কি জানাবেন স্যার? কীভাবে আমরা এসব বিষয় শুনবো?

ইয়াজউদ্দিন: ছাত্র হিসেবেই এসেছে এরা। কিছু দুঃখ কষ্ট হয়তো হয়েছে। ওভারঅল সাধারণ মানুষ দুঃখ থেকে বেঁচে গেছে।

প্রশ্ন: গত দু’বছরের প্রেক্ষাপট একটু বলবেন কি?

ইয়াজউদ্দিন: আমার স্মরণ নেই, বই লেখার সময় হয়তো মনে পড়বে।

প্রশ্ন: তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্ব যখন নিলেন তখন অনেক সমালোচনা হয়েছিল, এসময় আপনার কি মনে হয়েছিল, কোন প্রেক্ষাপটেই বা দায়িত্ব নিলেন?

ইয়াজউদ্দিন: ওরকমভাবেই দায়িত্ব নিয়েছিলাম। মনে হলো আমারই দায়িত্ব নেয়া উচিত এজন্যই আর কী!

প্রশ্ন: কিন্তু সংবিধানে তো বলা আছে সর্বজনগ্রাহ্য একজনকে প্রধান উপদেষ্টা করতে হবে। সে বিষয়টি কি আপনার মাথায় কাজ করেনি? সর্বজনগ্রাহ্য কাউকে কি খুঁজছিলেন?

ইয়াজউদ্দিন: আমি খুঁজি নাই, যারা খোঁজার তারাই খুঁজেছিল এবং আমিও সমর্থন দিয়েছিলাম।

প্রশ্ন: কাউকেই পাননি?

ইয়াজউদ্দিন: পাওয়া গেছে।

এসময় বদরুদ্দীন ওমর আবার টেলিফোনে ইয়াজউ্িদনকে প্রশ্ন করে বলেন, আপনি সম্পূর্ণভাবে সংবিধান লঙ্ঘন করেছেন, এছাড়া আপনি যে প্রধান উপদেষ্টা হলেনÑ এটা কি আল্লাহতালা নির্দেশ দিয়েছেন নাকি সামরিক বাহিনীর পরামর্শে, না আমেরিকানদের কারণে হলোÑ এটা শিগগির বোঝা দরকার। বইয়ের জন্য অপেক্ষা করা অসুবিধাজনক।

ইয়াজউদ্দিন: না না দেরি করব না। শিগগিরই করবো।

খন্দকার আলমগীর নামে আরেকজন দর্শক প্রশ্ন করে বলেন, জরুরি অবস্থা জারি করে আপনি ১৫ কোটি মানুষের সঙ্গে বেঈমানি করেছেন না ভালো করেছেন? এছাড়া গণতন্ত্র কি সুপ্রতিষ্ঠিত হয়েছে?

ইয়াজউদ্দিন: গণতন্ত্র সুপ্রতিষ্ঠিত করতে হলে মানুষের মধ্যে সহানুভূতি থাকা দরকার। সেটা থাকলেই গণতন্ত্র প্রবেশ করে। আজ দেশে গণতন্ত্র প্রবেশ করেছে।

প্রশ্ন: ১/১১ পট পরিবর্তনের সময় প্রধান উপদেষ্টার নিয়োগের ব্যাপারে আপনি কি আলোচনা করেছেন? আমরা জেনেছি ড. ইউনূস প্রধান উপদেষ্টা হবেন না জানিয়ে দিলে ড. ফখরুদ্দীনকে এই পদে নিয়োগ দেয়া হয়। এসব কাজ কার পরামর্শে করা হয়েছিল?

ইয়াজউদ্দিন: বিএনপি ও আওয়ামী লীগের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে বঙ্গভবনে আলোচনা হয়েছে।

প্রশ্ন: আলোচনায় কারা কারা ছিলেন?

ইয়াজউদ্দিন: দুই দলের অনেক লিডারই ছিলেন।

প্রশ্ন: তারা কী বলেছিলেন?

প্রশ্ন: তারা অস্বীকার করেন নি।

প্রশ্ন: জীবনের কোনো ব্যর্থতা আছে?

ইয়াজউদ্দিন: যখন যা চেয়েছি তাই পেয়েছি। এর জন্য কোনো ব্যর্থতা নেই।

http://www.amadershomoy.com/content/2009/05/26/news0086.htm