কালবৈশাখীতে পদ্মায় ডুবে গেছে লঞ্চ

kandipara villageসহস্রাধিক ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত ।। ফসলের ব্যাপক ক্ষতি
সোমবার রাতে মুন্সীগঞ্জের মাওয়ার কাছে পদ্মায় এমভি রাকিব ও এমভি তাজমহল নামের দুইটি যাত্রীবাহী লঞ্চ ডুবে গেছে। তবে এতে কোন প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি। রাতেই বিভিন্ন চর থেকে ডুবে যাওয়া লঞ্চ দুইটির যাত্রীদের উদ্ধার করা হয়।

মুন্সীগঞ্জ সংবাদদাতা জানান, কালবৈশাখীর ঝড়ে লৌহজং উপজেলার মাওয়ায় পদ্মায় ডুবে যাওয়া লঞ্চ দুইটি উদ্ধারের কাজ শুরু হয়েছে। ঘাট মেরামতের পর মঙ্গলবার সকাল থেকে মাওয়া-কাওড়াকান্দি নৌরুটে ফেরি চলাচল শুরু হয়েছে। সোমবার রাতে লঞ্চডুবি ও ঘাটে ফেরি স্বল্পতার কারণে মাওয়ায় দেখা দেয় বিশাল যানজট। বিআইডব্লিউটিএ’র একটি ঊর্ধ্বতন প্রতিনিধিদল দুপুরে মাওয়া ঘাটের পরিস্থিতি পরিদর্শন করেছে।

মাওয়া নদী বন্দর কর্তৃপক্ষ সোমবার রাতেই ট্রলার দিয়ে ডুবে যাওয়া লঞ্চের সকল যাত্রীকে পদ্মার মাঝেরচর ও কয়েকটি ডুবোচর হতে উদ্ধার করেছে। তবে সন্ধ্যায় এ রিপোর্ট লেখার সময় পর্যন্ত মাওয়া ঘাটে ডুবে যাওয়া লঞ্চ দুইটি উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। অবশ্য ঝড়ে অকেজো হয়ে পড়া মাওয়া ১ ও ২ নং এবং কাওড়াকান্দি ৩নং ঘাট সচল করা হয়েছে। পানির তোড়ে ভেঙে যাওয়া ফেরি ঘাটের ১৫ ফুট ‘বেজ’ও মেরামত করা হয়েছে। ঝড়ের তোড়ে ক্ষতিগ্রস্ত বিকন বাতি ও মার্কার ঠিক করে মাওয়া-কাওড়াকান্দি নৌপথকে পুনরায় সচল করেছে বিআইডব্লিইটিএ কর্তৃপক্ষ।

এদিকে মাওয়ায় দেখা দিয়েছে বিশাল যানজট। সকালে ঘাটগুলো মেরামতের পরে ফেরি পারাপার শুরু করলেও ঘাটে ব্যাপক যানজট দেখা দেয়। এসময় ঘাটে আটকা পড়ে কয়েকশ’ যানবাহন। ফেরি পারের অপেক্ষায় যাত্রীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। এদিকে ঝড়ে পদ্মার চরে আটকা পড়া ইরান নামের ফেরিটি উদ্ধারে এখনো তৎপরতা শুরু করা সম্ভব হয়নি।