মুন্সীগঞ্জে আ’লীগ ও বিএনপি’র বন্দুকযুদ্ধে আহত ৩৫

মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ি উপজেলার দীঘিরপাড় গ্রামে গতকাল সোমবার আওয়ামী লীগ ও বিএনপি কর্মীদের মধ্যে দফায় দফায় বন্দুকযুদ্ধ এবং মারধরের ঘটনায় তিনজন গুলিবিদ্ধসহ ৩৫ জন আহত হয়েছেন। এ সময় আওয়ামী লীগদলীয় দীঘিরপাড় ইউপি চেয়ারম্যান আরিফ হালদার প্রহৃত হন। এ ছাড়া বিএনপি কর্মীদের সাতটি বাড়িঘর ব্যাপক ভাঙচুর করা হয়েছে। আহতদের মধ্যে গুলিবিদ্ধ নুরুদ্দিন (৫৫), ইমাম হোসেন (৩২), আকরামকে (৩৫) মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহত দীঘিরপাড় ইউপি চেয়ারম্যান আরিফ হালদার (৩৬), নবির হালদার (৫৫), টিপু হালদার (৩৪), শফি হালদার (৩৫) দিদার (২৫), বাবুল খাঁ (৪৫) রুবেল (৩৫), আল্লাদি বেগমকে (৩০)সহ অন্যদের টঙ্গীবাড়ি স্বাস্খ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। গতকাল সকাল সাড়ে ১০টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত টঙ্গীবাড়ি আওয়ামী লীগের সভাপতি জগলুল হালদার ভুতু ও দীঘিরপাড় বিএনপি’র সভাপতি ওয়ালিউল্লাহ খাঁ গ্রুপের মধ্যে তিন দফা এই বন্দুকযুদ্ধ ও মারধরের ঘটনা ঘটে বলে এলাকাবাসী জানিয়েছেন।
প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, দীঘিরপাড় বাসস্ট্যান্ড এলাকায় পুলিশের উপস্খিতিতে উভয় গ্রুপের মধ্যে বন্দুকযুদ্ধ হয়েছে। ইউপি চেয়ারম্যান আরিফ হালদারকে মারধর করার ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও আওয়ামী লীগ কর্মীরা প্রথমে দীঘিরপাড় বাজারে সংঘর্ষ ও মারধরে জড়িয়ে পড়ে। এ সময় ধারালো অস্ত্রের আঘাতে উভয় গ্রুপের অন্তত ২৫ জন আহত হন। খবর পেয়ে পুলিশ সেখানে যায়। পরে উভয় গ্রুপে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষ বাধে। এক পর্যায়ে পুলিশের উপস্খিতিতেই উভয় গ্রুপের কর্মীরা আগ্নেয়াস্ত্রের মহড়া দিয়ে দুপুর ১২টার দিকে বন্দুকযুদ্ধে লিপ্ত হয়। এ সময় তিনজন গুলিবিদ্ধসহ আরো ১০ জন আহত হন।
এএসপি সদর সার্কেল নাঈমা সুলতানা বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা অস্বীকার করে বলেন, দুই পক্ষের মধ্যে লাঠিসোটা নিয়ে মারামারি হয়েছে। তবে টঙ্গীবাড়ি থানার ওসি আব্দুল্লাহ বলেন, উভয় গ্রুপের কর্মীদের লাইসেন্সকৃত অস্ত্র রয়েছে। তারা দুই পক্ষই গোলাগুলি করেছে।