মুন্সীগঞ্জে কোটি টাকার টেন্ডার নিয়ে তেলেসমতি

মুন্সীগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক সাংসদ মোহাল্ফ§দ মহিউদ্দিনের ছোট ভাইয়ের ছত্রছায়ায় গতকাল সোমবার মুন্সীগঞ্জ পৌরসভার ১ কোটি টাকার টেন্ডার হাতিয়ে নিয়েছেন বিএনপিদলীয় এক ঠিকাদার। সোমবার দুপুরে সিডিউল দাখিলে বাধা, আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের দুই গ্র“পের মধ্যে বাকবিত-া হয়। এ সময় আওয়ামী লীগের দুই গ্র“পের অর্ধশতাধিক নেতা-কর্মী পৌরসভার কার্যালয়ে এই ঝগড়া ও উত্তপ্টø বাক্যবিনিময়ের ঘটনায় জড়িয়ে পড়েন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, বিএনপিদলীয় ঠিকাদার সাহাদাত হোসেনের মেসার্স সম্রাট ট্রেডার্সের পক্ষে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোহাল্ফ§দ মহিউদ্দিনের ছোট ভাই মোহাল্ফ§দ মাহমুদ টেন্ডার জমা দিতে পৌর কার্যালয়ে যান। এ সময় যুবলীগ কর্মী ফরহাদ হোসেন আবির ঢাকার চৌধুরী কন¯দ্ব্রাকশনের পক্ষে সিডিউল জমা দিতে গেলে আওয়ামী লীগ নেতার ভাই ওই সিডিউল কেড়ে নিয়ে যান। এ সময় আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীরা দুই গ্র“পে বিভক্ত হয়ে পড়ে। এ সময় দুই গ্র“পে উত্তপ্টø বাক্যবিনিময় ও ঝগড়ার ঘটনা ঘটে।
ফরহাদ হোসেন আবির অভিযোগ করেন, মাহমুদ মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে ঠিকাদার শাহদাতকে কাজ পাইয়ে দেওয়ার জন্য আমার কাছ থেকে টেন্ডার ছিনিয়ে নেয়। অন্যদিকে মাহমুদ জানান, সমঝোতার মাধ্যমে কাজটি নেওয়া হয়েছে। ফরহাদ হোসেন আবির অযথা বিশৃগ্ধখলার সৃ®িদ্ব করে।
সাধারণ ঠিকাদারদের অভিযোগ, সকাল থেকে ঘটনাস্ট’লে ক্যাডার নিয়ে ঠিকাদারদের মহড়ার কারণে তারা সিডিউল জমা দিতে পারেননি।
পৌরসভা সহৃত্র জানায়, প্যাকেজ প্রকল্কেপ্পর এ কাজে ৮টি সিডিউল বিত্রিক্র হয়। এর মধ্যে ৪টি ঢাকার ও ৪টি মুন্সীগঞ্জের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।
পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী খন্দকার মোঃ আখতার হায়দার বলেন, অফিসের নিচে ক¤ক্সাউন্ডে টেন্ডারের সিডিউল জমা নিয়ে ঝগড়ার কথা শুনেছি। কিন্তু আমার কাছে কেউ লিখিত অভিযোগ দেয়নি। মোট ৮টি টেন্ডার জমা পড়েছিল। প্যাকেজ প্রকল্কেপ্পর আওতায় ওই টেন্ডারের মাধ্যমে রাস্টøা ও কালভার্ট নির্মাণসহ ৮টি ভাগে কাজ করা হবে। এতে প্রায় ১ কোটি টাকা ব্যয় হবে।