মুন্সীগঞ্জে সৎকার হচ্ছে না বেওয়ারিশ লাশ

বেওয়ারিশ কুকুরের লাশ সৎকার হলেও মানুষের লাশ সৎকার হচ্ছে না। মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল মর্গের পিছনে সৎকারহীন অবস্থায় প্রায়ই পড়ে থাকতে দেখা যায় বেওয়ারিশ মানুষের লাশ। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উদাসিনতার কারেণে বেওয়ারিশ লাশের দুর্গন্ধে হাসপাতালের রোগীসহ আশপাশ এলাকার লোকজন অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। ১৫-২০ দিন আগের একটি বেওয়ারিশ লাশ পোস্টমর্টেম হওয়ার পর মর্গের পেছনে ফেলে রাখা হয়েছে। লাশটি পচে গলে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে, পরিবেশ দূষিত করছে। এ নিয়ে কারো কোনো মাথাব্যথা নেই। এরকম দৃশ্য এ মর্গের আশপাশে প্রায়ই দেখা যায়। মুন্সীগঞ্জ পৌরসভা এসব বেওয়ারিশ লাশ সৎকারে ব্যবস্থা নেন না বললেই চলে। মুন্সীগঞ্জে আঞ্জুমানে মহিদুল ইসালামের অফিস থাকলেও এর কোনো কার্যক্রম নেই। ফলে স্থানীয উদ্যোগে বেওয়ারিশ লাশ সৎকারের ব্যবস্থা করা হয়। মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. এহসানুল করিম জানান, পোস্ট মর্টেমের পর বেশ কয়েকদিন মর্গে রাখা হয়েছিল লাশটি। কেউ কোনো খোঁজ নিতে আসেনি এ লাশটির। পরে মুন্সীগঞ্জ পৌরসভাকে জানানো হয়েছে লাশটি সৎকারের জন্য। এ মর্গটি খুবই ছোট। জায়গার সংকুলান হয়নি বলে লাশটি বের করে রাখা হয়েছিল যাতে পৌরসভার লোকজন এসে নিয়ে যায়। পৌরসভার গাফিলতির কারণে এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।
তরুণের রহস্যজনক মৃত্যু
মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার বড় রায়পুরা গ্রামে বিশিষ্ট ব্যবসায়ী শাহ শের আলী ফিলিং স্টেশনের মালিক আব্দুল মান্নানের বাড়ির শাহ শের আলী পীরের খানকা শরীফের ভেতর এক তরুণের রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার বিকালে পুলিশ ওই খানকা শরীফের ভেতর থেকে ওই তরুণের গলিত নগ্ন লাশ উদ্ধার করেছে।