ক্রেতার অভাবে বিপাকে পড়েছে আলুচাষীরা

দেশের আলু উৎপাদনের সর্ববৃহৎ জেলা মুন্সীগঞ্জের চাষীরা এ বছর বিপাকে পড়েছে। নিম্ন মানের আলু বীজ ও নানা রোগবালাইয়ের কারণে এবার আলু উৎপাদন হয়েছে তুলনামূলকভাবে কম। তারপর আলুতে দেখা দিয়েছে চিটা দাগ। এ কারণে চাষীরা পাইকার পাচ্ছে না। ফলে কৃষকরা আলু গোলা করে ঝুঁকি নিয়েই জমিতে রাখতে বাধ্য হচ্ছে। কেউ কেউ হিমাগরে আলু সংরক্ষণ করছে। কৃষকরা জানিয়েছে, গত বছর জেলার প্রায় অধিকাংশ হিমাগারে সুষ্ঠ ব্যবস্থাপনা না থাকায় বিপুল পরিমাণ আলু পচে গিয়েছিল। এজন্য কৃষকদের বড় ক্ষতি হয়েছিল।

টঙ্গিবাড়ির ধামারন গ্রামের কৃষক আলম শেখ জানালেন, মৌসুমের শুরু থেকেই সারের উচ্চমূল্য, সার ও বীজ সংকটসহ একাধিক সমস্যায় জর্জরিত ছিল কৃষকরা। এর মধ্যে বর্তমানে প্রতিমণ আলু ৫২০/৫৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এতে উৎপাদন খরচ উঠছে না।

কয়েকজন কৃষক জানান, এ বছর কোনো মেরামত ছাড়াই আলু সংরক্ষণের কাজ শুরু হয়েছে জেলার হিমাগারগুলোতে।

এতে গত বছরের মতো হিমাগারে রক্ষিত আলুতে পচন ধরার সম্ভাবনা রয়েছে। জেলায় ৬৯টি হিমাগার থাকলেও বীজ আলু সংরক্ষণের ব্যবস্থা নেই।