টঙ্গীবাড়ীতে দুই সাবেক চেয়ারম্যান আর ইঞ্জিনিয়ারের ত্রিমুখী লড়াইয়ের সম্ভাবনা

জাহাঙ্গীর আলম টঙ্গীবাড়ী (মুন্সীগঞ্জ)
উপজেলা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সরগরম হয়ে উঠেছে মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ী উপজেলা। প্রার্থী আর কর্মীদের প্রচার ও গণসংযোগে মুখর প্রত্যন্ত জনপদ। প্রার্থীদের মাইকিং, মিটিং, মিছিল আর গণসংযোগে মুখর হয়ে উঠেছে প্রতিটি এলাকা। এখানে চেয়ারম্যান পদে ত্রিমুখী লড়াই হবে বলে মনে করছেন এলাকাবাসী।
এ উপজেলায় এবার মোট ২৭ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এর মধ্যে চেয়ারম্যান পদে ১০ জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ১২ জন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে পাঁচজন প্রার্থী। চেয়ারম্যান প্রার্থীদের মধ্যে আবু বকর মল্লিকের প্রতীক দোয়াত-কলম, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে তার ব্যাপক সুনাম রয়েছে। অতীতের সুনাম কাজে লাগিয়ে তিনি প্রচার-প্রচারণা চালাচ্ছেন। জগলুল হাওলাদারের (ভুতু) প্রতীক মাছ। তিনি টঙ্গীবাড়ী উপজেলার প্রথম চেয়ারম্যান, টঙ্গীবাড়ী থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি। মুন্সীগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগ নেতারা বলেছেন জগলুল হাওলাদার ভুতুকে দলের পক্ষ থেকে সমর্থন দেয়া হয়েছে। ইঞ্জিনিয়ার কাজী ওয়াহীদ নতুন প্রার্থী হলেও নিজের যোগ্যতা আর ভালো মানুষ হিসেবে পরিচিতি থাকায় তিনি শক্ত অবস্খানে আছেন। তিনি শিক্ষিত বেকার যুবকদের কর্মসংস্খানের জন্য আইটি ভিজেল আর উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রচার-প্রচারণা চালাচ্ছেন।
ভাইস চেয়ারম্যান পদে লড়ছেন নবীন কুমার রায় (ঠেলাবাড়ী), নূর মোহাম্মদ শেখ (তালা), মাহবুবুর রহমান (টিয়াপাখি)। মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে এমিলি পারভীন (আম) হামিদা বেগম (প্রজাপতি) ও জুলেখা বেগম (পদ্মফুল) প্রতীক নিয়ে ভোটারদের দুয়ারে দুয়ারে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। দিচ্ছেন উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি। অন্যান্য প্রার্থী মাঠে থাকলেও প্রচারণায় পিছিয়ে আছেন এমনটা মনে করছেন ভোটাররা।