গজারিয়ায় উপজেলা নির্বাচনের প্রচারণা জমে উঠেছে

আসন্ন ২২ জানুয়ারির উপজেলা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে। লিফলেট, পোস্টারে ছেয়ে গেছে গজারিয়ার গ্রামগঞ্জের প্রতিটি এলাকা। প্রার্থীরা ভোর থেকে গভীররাত পর্যন্ত চালাচ্ছেন তাদের ভোটের প্রচারণা। গজারিয়া উপজেলা নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে ৯ জন নবীন-প্রবীণ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। পুরুষ ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৪ জন এবং নারী ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৫ জনসহ সর্বমোট ১৮ জন প্রার্থী ৩টি পদের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। অবশ্য ১৮ জন প্রতিদ্বন্দ্বীর মধ্যে ৬ জনের নির্বাচনী প্রচারণা ঝিমিয়ে পড়েছে। বাকি প্রার্থীদের নির্বাচনী পোস্টার লিফলেটে ছেয়ে গেছে পুরো গজারিয়া এলাকা। জাতীয় নির্বাচনের পর মনে হচ্ছে এ আরেক উৎসবমুখর পরিবেশ। প্রার্থীরা সকাল থেকে গভীররাত পর্যন্ত ভোটারদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোট চাচ্ছেন এবং বিভিন্ন নির্বাচনী সভা-সমাবেশ করছেন। এবারের নির্বাচনে প্রবীণ প্রার্থীদের চেয়ে নবীন প্রার্থীদের কদর ভোটারদের কাছে অনেক বেশি। কারণ ভোটাররা চাচ্ছেন নতুন নেতৃত্ব। চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী ৯ জন প্রার্থী হলেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মো. আমিরুল ইসলাম, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মেজর (অব.) মো. জসিম উদ্দিন, সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ কলিম উল্লাহ, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী রেফায়েত উল্লাহ খান তোতা, শিল্পপতি হাফিজুর রহমান খান, ঢাকা সিটি করপোরেশনের ওয়ার্ড কমিশনার মোতাহার হোসেন জাহাঙ্গীর। আব্দুল হক মোল্লা, আ ফ ম মোজ্জামেল হক ও সাবেক চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম। পুরুষ ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থীরা হলেনÑ মাহবুবুল আলম মজনু, সাবেক চেয়ারম্যান শাহজাহান খান, ঠিকাদার আব্দুল মান্নান সরদার ও মোস্তফা সরোয়ার বিপ্লব। নারী ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী হলেন, মিস কিমান কিবরিয়ানী, মিসেস রতœা বেগম, মিনারা বেগম, ফারজানা আক্তার ও মুক্তা বেগম। এ উপজেলায় নতুন ভোটার তালিকা অনুযায়ী এবারের ভোটার সংখ্যা ৯২ হাজার ৭২২ জনের মধ্যে অর্ধেকের বেশি নারী। এই নির্বাচনে আওয়ামী লীগের ব্যানারে একাধিক প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও গজারিয়ার সুশীল সমাজও থানা আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী হিসেবে জেলা আওয়ামী লীগে শিল্প ও বাণিজ্য সম্পাদক আমিরুল ইসলাম, বিএনপির মোতাহার হোসেন জাহাঙ্গীর ও রেফায়েত উল্লাহ খান তোতার সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বলে আভাস পাওয়া যাচ্ছে ভোটযুদ্ধে।