মুন্সিগঞ্জের সাহাবুদ্দিন হত্যা মামলার রায়ে দুজনের মৃত্যুদন্ড

মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগর উপজেলার বাগড়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও স্বরূপচন্দ্র পাইলট উচ্চবিদ্যালয়ের প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক সাহাবুদ্দিন খানকে হত্যার দায়ে দুজনকে ফাঁসি ও সাতজনকে যাবজ্জীবন কারাদন্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। গতকাল মঙ্গলবার ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-৩-এর বিচারক মুহাম্মদ নুরুল হুদা এ মামলার রায় ঘোষণা করেন। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় মামলার অপর ২১ জন আসামিকে বেকসুর খালাস দেন আদালত।
আদালত মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্তদের প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানারও আদেশ দেন। মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্তরা হলেন এম এস খান ও মমতাজ বেগম। তাঁরা পলাতক। যাবজ্জীবন দন্ডপ্রাপ্তরা হলেন হান্নান শাহ্, রুবেল, মিরহাম, রুমি বেগম, মিরাজ, আলমগীর ও ইদ্রিস তালুকদার। একই সঙ্গে তাঁদের প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে আরও পাঁচ বছরের কারাদন্ডের আদেশ দেন আদালত। এঁদের মধ্যে আলমগীর ও ইদ্রিস বর্তমানে কারাগারে এবং অন্যরা পলাতক।
মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণে জানা যায়, সাহাবুদ্দিন খান ২০০১ সালে মুন্সিগঞ্জের পাঁচ খুনের মামলায় প্রধান সাক্ষী ছিলেন। ওই মামলার রায়ে ২০০৫ সালের ১২ জুলাই ১৪ জনের মৃত্যুদন্ড দেন ঢাকার একটি আদালত। মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে মমতাজ বেগমের স্বামী আজিজুলও ছিলেন। ওই রায়ে ক্ষিপ্ত হয়ে আসামিরা ১৯ দিন পর ১ আগস্ট বাগড়া বাজারে যাওয়ার পথে সাহাবুদ্দিনকে হত্যা করেন। এ ঘটনায় নিহতের ফুফাতো ভাই সাইদুর রহমান পিন্টু বাদী হয়ে শ্রীনগর থানায় মামলা করেন। তদন্ত শেষে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশের উপপরিদর্শক মো. আকবর হোসেন গত বছরের ১৪ ফেব্রুয়ারি আসামিদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। মামলার ২৮ জন সাক্ষীর মধ্যে ২০ জন আদালতে সাক্ষ্য দেন।