মুন্সীগঞ্জ ১ ও ২ আসনে বিকল্প ধারা নিয়ে শঙ্কিত নয় বিএনপি-আ’লীগ

গোলাম মঞ্জুরে মাওলা অপু লৌহজং (মুন্সীগঞ্জ)
ভোটযুদ্ধের ত্রিমুখী লড়াইয়ের মধ্য দিয়ে মুন্সীগঞ্জ-১ ও ২ আসনে নির্বাচনী আমেজ সৃষ্টি হলেও বাংলাদেশ বিকল্প ধারা নিয়ে মোটেও শঙ্কিত নয় বিএনপি-আওয়ামী লীগ। বরাবরের মতোই বিএনপি এ দু’টি আসনে শক্তিশালী অবস্খানে রয়েছে। তবে শেষ পর্যন্ত বিকল্প ধারা পৃথকভাবে নির্বাচন করায় আওয়ামী লীগ এ সুযোগকে কাজে লাগাতে মরিয়া হয়ে উঠেছে। ’৭৫-পরবর্তী এবারই প্রথম আসন দু’টিতে তাদের জয় লাভের সুযোগ এসেছে। স্খানীয় আ’লীগ নেতাকর্মীদের ধারণা, বিএনপি থেকেই বিকল্প ধারা সৃষ্টি। তাই বিএনপি’র ভোটব্যাংকে বিকল্প ধারা আঘাত হানলেও আওয়ামী লীগে এর প্রভাব পড়বে না। অন্য দিকে বিএনপি’র সাধারণ ভোটার-সমর্থকরা বলছেন, বিকল্প ধারার প্রার্থী ইত:পূর্বে বিএনপি’র টিকিটে নির্বাচনে জয় লাভ করলেও এলাকার উন্নয়নে তার কোনো উল্লেখযোগ্য অবদান নেই। ফলে অধিকাংশ জনগণ এখানে পরিবর্তন দেখতে চায়। সরেজমিন নির্বাচনী এলাকা ঘুরে তৃণমূল জরিপ ও মতামতের ভিত্তিতে উঠে এসেছে এ রকমই নির্বাচনী হাওয়া। মুন্সীগঞ্জ-১ : শ্রীনগর ও সিরাজদিখান উপজেলা নিয়ে গঠিত এ আসনে তিনটি রাজনৈতিক দলের চূড়ান্ত প্রার্থীদের ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা শুরু হয়েছে। জোট-মহাজোটের মনোনয়ন লড়াইয়ের প্রভাব এ আসনে পড়েনি। ফলে এ আসনে বিএনপি’র চূড়ান্ত প্রার্থী হিসেবে সাবেক উপপ্রধানমন্ত্রী ও প্রবীণ রাজনীতিবিদ শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন, আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী হিসেবে শ্রীনগর উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি সুকুমার রঞ্জন ঘোষ এবং বিকল্প ধারা থেকে সাবেক রাষ্ট্রপতি ও বিকল্প ধারা বাংলাদেশের সভাপতি অধ্যাপক এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। মুন্সীগঞ্জ-২ : লৌহজং ও টঙ্গীবাড়ী উপজেলা নিয়ে গঠিত এ আসনে তিনটি রাজনৈতিক দলের চূড়ান্ত প্রার্থীদের শুরু হয়েছে ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা। জোট-মহাজোটের মনোনয়ন লড়াইয়ের প্রভাবও এ আসনে পড়েনি। ফলে এ আসনে বিএনপি’র চূড়ান্ত প্রার্থী হিসেবে সাবেক স্বাস্খ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ও বিএনপি নেতা মিজানুর রহমান সিনহা, আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী হিসেবে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ নেত্রী ও মুন্সীগঞ্জ-নারায়ণগঞ্জ সংরক্ষিত আসনের সাবেক মহিলা এমপি সাগুফতা ইয়াসমীন এমিলি এবং বিকল্প ধারা থেকে সাবেক রাষ্ট্রপতি ও বিকল্প ধারা বাংলাদেশের সভাপতি অধ্যাপক বি. চৌধুরী মনোনয়নপত্র দাখিল করেন।