নিঃসঙ্গ হয়ে পড়ছেন বি চৌধুরী ও মাহী

আওয়ামী লীগ নেতৃধীন মহাজোট থেকে বেরিয়ে এসে মুন্সীগঞ্জে নিজ জেলাতেই একা হয়ে পড়েছেন বিকল্কপ্পধারা বাংলাদেশের সভাপতি সাবেক রাদ্ব্রপতি অধ্যাপক একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরী ও ছেলে দলের মুখপাত্র মাহী বি চৌধুরী। আসল্পু সংসদ নির্বাচনে পিতা-পুত্র মুন্সীগঞ্জের ৩টি আসনে নির্বাচনী মাঠে নবঘোষিত জাতীয় যুক্তফদ্ধন্টের শরিক দলের কাউকেই পাচ্ছেন না। কাজেই বি চৌধুরী ও ছেলে মাহীকে বিকল্কপ্পধারার নেতা-কর্র্মীদের পুঁজি করেই এগুতে হচ্ছে। বি চৌধুরী-ড. কামাল হোসেনের জাতীয় যুক্তফদ্ধন্টের সঙ্গে একাͧতা ঘোষণা করেছেন বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মুহাল্ফ§দ ইবরাহিম, টিভি উপস্ট’াপক ডা. আবদুন নহৃর তুষার, ফরওয়ার্ড পার্টি চেয়ারম্যান আ ব ম মোস্টøফা আমিন ও কানসাট আন্দোলনের নেতা গোলাম রব্বানী। আসল্পু নির্বাচনের আগে মহাজোট ছেড়ে জাতীয় যুক্তফদ্ধন্ট ঘোষণায় এখানকার আওয়ামী লীগে বইছে স্ট^স্টিøর হাওয়া। কেননা বিকল্কপ্পধারা মহাজোটে থাকলে মুন্সীগঞ্জের ৩টি আসনের মধ্যে অšøত ২টি আসন বিকল্কপ্পধারাকে ছাড় দিতে হতো। এ কারণেই যুক্তফদ্ধন্ট গঠন হওয়ায় এবং বি চৌধুরীর মহাজোটে না যাওয়ার ঘোষণায় আওয়ামী লীগ দলীয় ৩টি আসনের প্রার্থী, নেতা-কর্মী, সমর্থকদের মধ্যে এসেছে এই স্ট^স্টিø। এদিকে জাতীয় যুক্তফদ্ধন্টের শরিক ড. কামাল হোসেনের গণফোরাম ছাড়া ফরওয়ার্ড পার্টি ও বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির অস্টিøÍ^ নেই মুন্সীগঞ্জে। টিভি উপস্ট’াপক আবদুন নহৃর তুষার ও কানসাটের নেতা গোলাম রব্বানীর পকেটে মুন্সীগঞ্জের ভোটও নেই। আর প্রায় ১০ বছর ধরে গণফোরাম জেলা আহ্বায়ক কমিটি দিয়ে চলছে। আহ্বায়ক মোঃ হোসেন বাবুল ছাড়া তার আশপাশে এখন কেউ নেই। যুব ফোরামের সাবেক কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি সাইফুল ইসলাম সোহাগ বি চৌধুরীর সঙ্গে নির্বাচনী মাঠে নামবেন না বলে জানা গেছে। জাতীয় ছাত্রধারার গণফোরামের ছাত্র সংগঠনের সাবেক ছাত্রনেতা রেজাউল আবেদীন পলাশ বলেন, যুক্তফদ্ধন্টের মাধ্যমে মুন্সীগঞ্জে নির্বাচন করতে হলে বিকল্কপ্পধারাকে একাই লড়তে হবে। অন্যদিকে মুন্সীগঞ্জের ৬টি উপজেলায় বিকল্কপ্পধারার আহ্বায়ক কমিটি রয়েছে। দীর্ঘদিনেও পহৃর্ণাঙ্গ কমিটি হয়নি। আর আহ্বায়ক কমিটিতে যারা আছেন তারা সবাই নেতা। কর্মী নেই। মুন্সীগঞ্জ-১ আসনে মাহী, মুন্সীগঞ্জ-২ ও ৩ আসনে বি চৌধুরী প্রার্থী হচ্ছেন।