মুন্সীগঞ্জে সীমানা পুনর্বিন্যাসে পাল্কেল্ট গেছে হিসাব-নিকাশ

মামুনুর রশীদ খোকা, মুন্সীগঞ্জ
আসন পুনর্বিন্যাসে মুন্সীগঞ্জে একটি সংসদীয় আসন কমে তিনটি হওয়ায় বিএনপি নেতৃÍ^াধীন চারদলীয় জোট এবং আওয়ামী লীগ তথা মহাজোটকে প্রার্থী মনোনয়ন নিয়ে নতুন করে ভাবতে হচ্ছে। সীমানা পুনর্নির্ধারণে এখানে পাল্কেল্ট গেছে ভোটের আগের হিসাব-নিকাশ। জেলার তিনটি আসনেই নির্বাচনী বৈতরণী পাড়ি দিতে সব দলের সল্ফ¢াব্য প্রার্থীদের নতুন কৌশল আঁটতে হচ্ছে। আসন পুনর্বিন্যাসের মারপ্যাঁচে জেলার অনেক বাঘা বাঘা প্রার্থীর নিশ্চিত মনোনয়নও এবার অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। তবে এরই মধ্যে জেলার তিনটি আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন অনেকটা চূড়াšø বলে জানা গেছে। এছাড়া বিকল্কপ্পধারার নেতৃÍ^াধীন যুক্তফদ্ধন্টও জেলার তিনটি আসনে প্রার্থী মনোনয়ন চূড়াšø করেছে।
মুন্সীগঞ্জের ছয়টি উপজেলা নিয়ে আগে চারটি সংসদীয় আসন ছিল। বর্তমানে দুটি করে উপজেলা নিয়ে একটি আসন। ফলে শ্রীনগর ও সিরাজদীখান উপজেলা নিয়ে মুন্সীগঞ্জ-১, লৌহজং ও টঙ্গিবাড়ী উপজেলা নিয়ে মুন্সীগঞ্জ-২ এবং গজারিয়া ও সদর উপজেলা নিয়ে মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের সীমানা নির্ধারিত হয়েছে।
মুন্সীগঞ্জ-১ আসনে বিএনপি তথা জোটের টিকিট পেতে এখন পর্যšø শাহ মোয়াজ্জেম হোসেনকে চ্যালেঞ্জ জানানোর কেউ নেই। তবে দলীয় একটি সহৃত্রে জানা গেছে, চারদলীয় জোট তাকে রাজধানীর একটি আসনে মনোনয়ন দিতে পারে। এ অবস্ট’ায় মুন্সীগঞ্জ-১ আসনে সাবেক স্ট^াস্ট’্য প্রতিমšúী মিজানুর রহমান সিনহা হতে পারেন বিএনপি তথা জোটপ্রার্থী। অন্যদিকে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছেন শ্রীনগর আওয়ামী লীগ সভাপতি সুকুমার রঞ্জন ঘোষ। দলীয় সহৃত্রে জানা গেছে, এখানে যুক্তফদ্ধন্টের পক্ষে মাহী বি চৌধুরীর মনোনয়ন চূড়াšø হয়েছে। এ আসনে তিনিও একজন শক্ত প্রতি™^›™^ী।
মুন্সীগঞ্জের সাবেক ৩ আসনের টঙ্গিবাড়ী এবং ২ আসনের লৌহজং নিয়ে নতুন সীমানার মুন্সীগঞ্জ-২ আসনটি। টঙ্গিবাড়ীর এমপি ছিলেন সাবেক তথ্যমšúী এম শামসুল ইসলাম। লৌহজং অঞ্চলের এমপি ছিলেন সাবেক স্ট^াস্ট’্য ও পরিবার পরিকল্কপ্পনা প্রতিমšúী মিজানুর রহমান সিনহা। এখন এ আসনটিতে বিএনপি তথা চারদলীয় জোটের প্রার্থী কে হচ্ছেন তা নিয়ে দলীয় নেতা-কর্মীরাও বেশ ™ি^ধা™^›ে™^ আছেন। তবে ভিআইপি প্রার্থী এম শামসুল ইসলামকে মুন্সীগঞ্জ-৩ না মুন্সীগঞ্জ-২ আসনে মনোনয়ন দেওয়া হয় তা আগ্রহের বিষয়ে পরিণত হয়েছে।
এদিকে এ আসনে তৃণমহৃল নেতা-কর্মীদের পছন্দের প্রার্থী সাগুফতা ইয়াসমিন এমিলি আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছেন বলে দলীয় সহৃত্রে জানা গেছে। নবগঠিত যুক্তফদ্ধন্টের পক্ষে দাঁড়াবেন বিকল্কপ্পধারার সভাপতি সাবেক রা®দ্ব্রপতি অধ্যাপক একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরী।
টঙ্গিবাড়ী উপজেলা এবং সদরের একটি পৌরসভা ও তিনটি ইউনিয়ন নিয়ে মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনে বিগত তিনটি নির্বাচনে বিএনপি প্রার্থী সাবেক তথ্যমšúী এম শামছুল ইসলাম বিপুল ভোটে জয়লাভ করেছেন। তিনি অ্যাডভোকেট মুক্তাদিরকে ১৯৯১ ও ১৯৯৬ সালে লুৎফর রহমানকে এবং ২০০১ সালে
সাবেক এমপি মাহাবুবউদ্দিন বীর বিত্রক্রমকে পরাজিত করেন। তারা তিনজনই আওয়ামী লীগ প্রার্থী ছিলেন। মুন্সীগঞ্জ সদরের ছয়টি ইউনিয়ন, একটি পৌরসভা ও গজারিয়া উপজেলা নিয়ে গঠিত মুন্সীগঞ্জ-৪ আসনে পাঁচবার নির্বাচিত সংসদ সদস্য সাবেক উপমšúী জেলা বিএনপির সভাপতি আবদুল হাই। গত তিনটি নির্বাচনে তার কাছে পরাজিত হন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মহিউদ্দিন। কিন্তু পুনর্বিন্যাসের ফলে সদরের পুরোটা ও গজারিয়া উপজেলা মিলে মুন্সীগঞ্জ-৩ আসন গঠিত হওয়ায় এখানে সাবেক তথ্যমšúী এম শামসুল ইসলাম এবং জেলা বিএনপি সভাপতি আবদুল হাইকে দলীয় মনোনয়নের জন্য পর¯ক্সরের প্রতি™^›™^ী হতে হচ্ছে। অন্যদিকে জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি মহিউদ্দিন দুদকের মামলায় ২০ বছরের কারাদ- মাথায় নিয়ে পলাতক। এ পরিস্টি’তিতে সাবেক প্রতিরক্ষা সচিব এম ইদ্রিস আলী এ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছেন বলে দলীয় সহৃত্রে জানা গেছে। এতে করে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন দৌড়ে শক্তিশালী প্রার্থী সাবেক পৌর চেয়ারম্যান আনিস-উজ-জামান ও তার পক্ষের নেতাকর্মীদের মধ্যে চরম অসšেøাষ দেখা দিয়েছে। তৃণমহৃল নেতা-কর্মীরা জানান, মুন্সীগঞ্জ পৌর এলাকা এবং গজারিয়া উপজেলায় সাবেক এমপি মহিউদ্দিনের অনুজ আনিস-উজ-জামানের রয়েছে ব্যাপক জনসমর্থন। এছাড়া গজারিয়া উপজেলার বাসিন্দা কেন্দ্রীয় মহিলা লীগের সাধারণ স¤ক্সাদক ফজিলাতুল্পেুসা ইন্দিরাও মনোনয়নবঞ্চিত হওয়ায় মুষড়ে পড়েছেন। এদিকে দলীয় সহৃত্র জানায়, শেষ পর্যšø এ আসনের মনোনয়নে পরিবর্তন আসতে পারে। সেক্ষেত্রে এম ইদ্রিস আলীর স্ট’লে আনিস-উজ-জামানের নাম আসার সল্ফ¢াবনা রয়েছে। এখানে যুক্তফদ্ধন্টের টিকিটে সাবেক রা®দ্ব্রপতি বদরুদ্দোজা চৌধুরীর মনোনয়ন চূড়াšø হয়েছে। তবে আওয়ামী লীগে তৃণমহৃল নেতা-কর্মীদের ভোটে এখানে পছন্দের প্রার্থী তালিকায় আনিস-উজ-জামান পরিবারের ৩ জন ছিলেন শীর্ষে। কেন্দ্রীয় মনোনয়ন বোর্ডে পাঠানো ৫ জনের তালিকায় ২৩৬ ভোট পেয়ে প্রথম হয়েছিলেন আনিস-উজ-জামান। ১৫৮ ভোটে ™ি^তীয় হন তার বড় ভাই মহিউদ্দিন আর তৃতীয় স্ট’ানে ছিলেন মহিউদ্দিনের স্টúী ফজিলাতুল্পেুসা।