মাওয়া-কাওড়াকান্দি চ্যানেলে ২৪ দিনেও ড্রেজিং শুরু হয়নি

গত ২৪ দিন ধরে ড্রেজার এনেও কাওড়াকান্দি-মাওয়া রুটের মাগুরখণ্ড-নাওডুবা চ্যানেলে ড্রেজিং শুরু না করায় দক্ষিণাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ এ রুটে অচলাবস্থা বিরাজ করছে৷ ফেরি কতর্ৃপক্ষের এ উদাসীনতায় সরকারের প্রতিদিন অন্তত ৫ লাখ টাকার জ্বালানি তেল গচ্চা যাচ্ছে৷ সঙ্গে যাত্রী দুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করেছে৷ ফলে ঢাকার সঙ্গে স্বল্প দূরত্বের এ রুটে যানবাহন চলাচলও অর্ধেকের নিচে নেমে এসেছে৷ বিআইডবিউটিএ, বিআইডবিউটিসি ঘাট সূত্র জানায়, প্রায় দেড় মাস আগে এ রুটের ১৪ কিলোমিটার দূরত্বের মাগুরখণ্ড-নাওডুবা চ্যানেলটি সামান্য ডুবোচরের কারণে বন্ধ হয়ে যায়৷ ফলে ফেরিগুলো বর্তমানে প্রায় ৩১ কিলোমিটার ঘুরে শরীয়তপুর-জাজিরার কাথুরিয়া ও মুন্সীগঞ্জ হয়ে চলছে৷ অথচ ২৪ দিন আগে ড্রেজার ডেল্টা-১ এলেও এখনও ড্রেজিং শুরু করেনি৷ বাড়তি ১৭ কিলোমিটার দূরত্ব দিয়ে ফেরি পারাপারের কারণে দ্বিগুণ সময় ব্যয় হওয়ায় সরকারের মাসে দেড় কোটি টাকার জ্বালানি তেল গচ্চা যাচ্ছে বলে সূত্র দাবি করে৷ এদিকে ফেরি পারাপারে ৩ ঘণ্টার বেশি সময় লাগায় উভয় পাড়ে দীর্ঘ যানজট নিত্যসঙ্গী হওয়ায় এ রুটে যানবাহন চলাচল অর্ধেকেরও কমে নেমে এসেছে বলে ফেরি ও যানবাহন চালকরা জানান৷ এলাকাবাসী জানান, তবে গত কয়েক দিন ধরে কাঁঠালবাড়ি হাজরা চ্যানেলের মুখে অপ্রয়োজনীয় একটি স্থানে ড্রেজিং করা হয়েছে৷ সেখানে আরও ২ মাস ফেরি লঞ্চ চলাচল করলেও নাব্যতা সংকট দেখা দেবে না বলে দাবি করা হচ্ছে৷ তাও আবার দু’-একদিন ড্রেজিং করার পর বর্তমানে বন্ধ রাখা হয়েছে৷ ঘাট ইজারাদার মোঃ আলীউজ্জামান চৌধুরী বলেন, সাংবাদিকদের চাপে ড্রেজার এসেছে, এটি আইওয়াশ৷ ফেরি কতর্ৃপক্ষের খামখেয়ালিপনায় ও সমন্বয়হীনতায় সরকারের মাসে অন্তত দেড় কোটি টাকা গচ্চা যাচ্ছে৷ সঙ্গে দুর্ভোগ তো আছেই৷ এ কারণে যান চলাচল অর্ধেকে নেমে এসেছে৷ মূলত রুটটিকে অচল করার পাঁয়তারা চলছে৷