মাওয়া-চরজানাজাত-মাঝিকান্দি নৌরুটে ফেরির দিকনির্দেশক পলিথিন!

মাওয়া-চরজানাজাত ও মাওয়া-মাঝিকান্দি নৌরুটে রাতের বেলা ফেরি চলাচলে দিকনির্দেশনার জন্য পলিথিন ব্যবহৃত হচ্ছে। নৌরুটে দিকনির্দেশনার জন্য প্রয়োজনীয় মার্কার স্টড়্গচ বা রিফ্লেক্টিং পেপার না থাকায় এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে সংশ্নিষ্দ্বরা জানিয়েছেন। আসল্পম্ন শীত মৌসুমে পদ্মার কুয়াশাচ্ছল্পম্ন নদীতে এ ব্যবস্থায় ফেরি চলাচল করবে তা নিয়ে দুশ্চিন্স্নায় রয়েছেন ওইসব নৌরুটের ফেরিচালকরা।

জানা গেছে, মাওয়া-চরজানাজাত ও মাওয়া-মাঝিকান্দি নৌরুটে রাতে নিরাপদে ফেরি চলাচলের জন্য দিকনির্দেশক হিসেবে মার্কার স্টড়্গচ বা রিফ্লেক্টিং পেপার ব্যবহারের কথা। কিন্তু এর পরিবর্তে সাদা রং করা পলিথিন দিকনির্দেশক হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। ফলে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে ওইসব নৌরুটের ফেরিগুলো। শীত মৌসুমে রাতের কুয়াশাচ্ছল্পম্ন পদ্মার দিকনির্দেশনার কাজে পলিথিনগুলো যথেষ্দ্ব নয়। তবুও বি,আই,ডব্লিউ,টি,এ কতৃপক্ষের এ রুটে মার্কার স্টড়্গচ বা রিফ্লেক্টিং পেপার লাগানোর কোনো উদ্যোগ নেই। ফলে শীতে সল্পব্দ্যা থেকে ভোর পর্যন্স্ন ফেরি চলাচল বিপজ্জনক হয়ে পড়বে।

আইটি ফেরি মাস্দ্বার আতাউর রহমান জানান, পদ্মা চ্যানেলে দিকনির্দেশক সংকেত হিসেবে এক ধরনের পরিত্যক্ত পলিথিনের ওপর সাদা রং করে দিকনির্দেশক সংকেত হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। চ্যানেলের শতাধিক দিকনির্দেশকই এ পলিথিন। ফেরি মাষ্টার মোফাজ্জল হক জানিয়েছেন, রাতে পলিথিনের এ দিকনির্দেশক কোনো কাজেই আসছে না। শীত মৌসুমে নৌরুট কুয়াশাচ্ছল্পম্ন হয়ে পড়লে যে কোনো মুহহৃর্তে দুর্ঘটনার শিকার হতে পারে ফেরি।

এ প্রসঙ্গে বি,আই,ডব্লিউ,টি,এ এর সিনিয়র উপ-পরিচালক জয়নাল আবেদীন জানিয়েছেন, কতৃêপক্ষের হাতে এ মুহহৃর্তে দিকনির্দেশক মার্কার স্টড়্গচ বা রিফ্লেক্টিং পেপার নেই। তবে মার্কার স্টড়্গচ পেপার আনার প্রত্রিক্রয়া চলছে। শিগগির এসে যাবে।