পাঠকের পাতা

পাঠকের প্রশ্ন ও উওরের জন্য…

26 Responses

Write a Comment»
  1. MASJIDE DAN KORLEI VALO MANUSH HAYE JAINA JARA KHARAB MANUSH TARAO DAN KORE …………….BAHO MINISTER ASE BAHU LOKE GUS KHEYE DAN KORE TAR MANE SE VALO LOKE NOY

  2. M Islam vai apnar porichoy ta to dilen na. Thanks reply korar jonno. Ami jani masjid e dan korlei valo manush hoi na. Ami joto tuku chini se ekjon valo manush. R durnitir kotha bolte gele bolte hoi..ekjon chairman kota taka durniti korte pare? Tar theke onek besi taka tar ase. Olpo kisu takar jonno durniti korar dorkar nai. Allah take onek dise. Ami tar support kortesi na. Ami bangladesh er nongra politics pochondo kori na. Main kotha sobai jate valo vabe thakte pare kono jogra jate na hoi seita dorkar.

  3. ANAMUL VAI AMI MUNSHIGONJER ADHARA UNIONER SONTAN AMI BORTOMANE SAUDI ARAB THAKI AS A TRAVEL CONSULTANT FURSAN TRAVELS APONI VALO THAKEN , I PARY FOR YOU THNKS,
    ASOLE AMIO CHAI VALO LEADER ASUK MOLLAKANDI ADHARA UNIONE ATAI SOBAR KAMONA ………..

  4. যে কথা বলা হয়নি…
    সাধারন জনগনের প্রাপ্তি আশানুরূপ কতটুকু রাজনীতি মঞ্চ হতে ? না কি প্রাপ্তি তা যা তাকে দিতে হচ্ছে রাজনীতিবিদদের প্রয়োজনে। যেমন দিচ্ছে বিক্রমপুর/মুন্সীগঞ্জ এর মাওয়া এলাকার সাধারন জনগন, স্থানীয় ক্ষমতাসীন রাজনীতিবিদের ধার্য্য করা অর্থ্য এর বিনিময়ে বুঝে নিতে হচ্ছে পদ্মা ব্রীজের দখলে পরা তাদের বাপ-দাদার ভিটে মাটির মূল্য। এটা যদি হয় এই দেশের রাজনীতির ফলপ্রকাশ তবে তাকে না জানানে উচিত।…দোলন মাহমুদ ।।

  5. mr. Dolan Mahmud
    রাজনীতিকে না বলে কি এর প্রতিকার করা সম্ভব ?

  6. হয়তবা না…তবে না অর্থে ধিক্কার জানালে হয়তবা আমাদের নতুন প্রজন্ম থেকে একটা স্বুস্থ্য রাজনীতি জন্ম নিতে পারে।….ধন্যবাদ সেলিম ভাই।

  7. গর্বীত আমি..জন্মেছিলাম এক রুপসী বাংলাদেশে কিন্তু যেখানে আজ উচ্চ শিক্ষিত নারী মোহের স্রোতে চক্ষু অন্তরালে করছে বেস্ব্যাগিরী সুযোগদ্বাতার সাথে, রাজনীতির নামধারী পুঁজিবাদীরা বসে আছে কাঙালের অর্থ্যকে পুঁজি করে, চিকিৎসা সেবা দানকারী মানুষগুলো নাদুস নুদুস হচ্ছে সাধারন মানুষের রক্ত পান করে, ক্ষমতাসীন সংসদ সদস্যগন লুফে নিচ্ছে অসহায় মানুষের টাকা সম্পদ ও কৌশলে অসহায় নারীর সম্ভ্রম, যেন দেশটা তাদের বাপেরা জন্ম দিয়েছিল। স্বনাম ধন্য অবস্থানে বসা শিক্ষিত পুরুষ গুলো ঘরে বউ রেখে রক্ষিতার সাথে নিশি যাপন করছে অগোচরে, নিয়ন আলোর রাত্রে আধো অন্ধকার রঙ্গীন আলোর ক্লাবে নর্তকিকে জড়িয়ে ধরে নেশা করছে। কথিত ঈমাম সাবগন ঈমামতি শেষ করে গোপনে পর্নো ছবি দেখায় মেতে ওঠছে। কথিত মানুষ গড়ার পুরুষ গুলো মনযোগ পাঠদানে না দিয়ে দিচ্ছে ছাত্রীর যৌবনের দিকে।…এত লজ্জা আমি আজ রাখবো কোথায়?
    …দোলন মাহমুদ ।।

  8. আর কত সম্পদ হারাবো আমরা…?
    এভাবে আর কত চলবে? জননেত্রী আপনি কি আজ গর্বীত ? আপনার আমলে অমূল্য সম্পদ আমরা হাড়ায়েছি বলে, না কি আপনি এদের নিজস্য সম্পত্তি ভাবেন। জনগনের টাকায় দামী গাড়িতে নিরাপত্তা নিয়ে ঘোরেন আর বসে বসে তামাসা দেখেন? যদি তা না হয় তবে কেন জনগনের নিরাপত্তা নিয়ে ভাবেন না, কেন সরক ও জনপথের আইন কঠোর করেন না যাতে জনগন যাতায়াতে পূর্ন নিরাপত্তা পায়। না কি নিজেদের স্বার্থের জন্য ক্ষমতায় আসেন জনগন মুক্ষ্য বিষয় নয়। আপনারা পারেন বটে..নিজেদের প্রয়োজনে ঠিকি পুরাতন আইন ভেঙ্গে নতুন আইন প্রয়োগ করেন.. আর এক এক নাটকিয়তা ছুড়ে দেন সস্তা আবেগি জনগনের উপড়। আর কতদিন জনগনকে নিয়ে দাবা খেলবেন..আপনারা নেতা-নেত্রী বৃন্দরা দিব্বি ভাল আছেন। তাহলে আমাদের নিরাপত্তা নিয়ে একটু ভাবেন না কেন। আমাদের মত লাখো জনতা এক করলেও একটা “তারেক মাছুদ” একটা “মিশুক মুনীর” গড়ে ওঠবে না। এ ক্ষতি কিছুতেই পূরন হবার নয়। এ দায়ভার অবশ্যই সরকারের। আমরা আর দ্বিতীয় কোন সম্পদ খোয়াতে চাই না। এর উপযোক্ত প্রতিকার চাই..নিরাপত্তাহীনতায় আর বাচিতে চাই না…নতুবা এই জ্বাতী তোমাদের ছাড়বে না।….দোলন মাহমুদ।।

  9. “এখনো বাক স্বাধীনতা কেরে নেওয়া হয়নি” “তারেক মাসুদ, মিশুক মুনীর আমরা তোমাদের ভূলবোনা”
    ছাপ্পান্ন হাজাড় বর্গমাইল আজ আওয়ামীলীগ, বিএনপি ও রাজাকারদের হাতে জিম্মি। জনগনকে ভুলিয়ে ভালিয়ে যে যার মত ক্ষমতায় আসছে আর স্বার্থ্য সিদ্ধি হাসিল করে নিচ্ছে, যে যেমন ভাবে। একজন নিজের প্রয়োজনে আইন তৈরি করছে আরেকজন এসে তার প্রয়োজনে তা তুলে নিচ্ছে। কেউ কেউ স্বার্থের ভাগ বাটোয়ারায় কম পরাতে, দল ছেড়ে যোগ দিচ্ছে অন্য দলে, আবার কেউ কেউ ফিরে আসছে বড় ভাগটা পাবার আশায়। হায়রে বাংলাদেশের রাজনীতি। নোবেল দ্বাতাগন শুধু একজন সূদখোরকে নোবেল পুরষ্কার দিয়ে ক্ষান্ত হলেতো বাংলার মান যাবে, বাংলার প্রত্যেক রাজনীতিবিদ ও ক্ষমতাসীন রাজাকারদের দিতে হবে…এরা যে গনতন্ত্রের এক একটা উজ্জল হীরা। সরকারী অবহেলার কারনে এক একটা মর্মান্তীক ঘটনা ঘটবে, জনগন মরবে, দেশের অমূল্য মানব সম্পদ মারা যাবে আর রাজনীতিবীদগন না না অজুহাত দেখিয়ে বক্তব্য দিয়ে তুলশি ধোঁয়া পানি সাজবেন আর নতুবা বলবেন আল্লাহর মাল আল্লাহ নিয়ে গেছে। একবারের জন্যও নিজেদের ব্যর্থতা, অবহেলা ও অপারগতার কথা স্বীকার করবেন না। তাহলে তারা কি স্বপথ করেছে যে, নিজেদের স্বার্থ্য ব্যতীত জনগনের কথা চিন্তা নিষেধ। এদের কর্মে আমার মাঝে মাঝে সন্দেহ হয়, এদের জন্ম সম্মন্ধে…এরা আসলে কি এই বাংলার সন্তান।

  10. মুন্সীগঞ্জের খবরের এডমিনকে একটি প্রশ্ন: আপনারা কি পাঠকের প্রতিক্রিয়া সংশ্লিষ্ট লেখককে জানান?
    আমি আমার শৈশবের স্মৃতি কথা মুন্সীগঞ্জের খবরে ছাপাতে চাই।সেটা কি পাঠকের মতামতে ছাপলে চলবে?

    1. দেলওয়ার ভাই, ব্যক্তিগতভাবে কোন লেখককে পাঠকের প্রতিক্রিয়া জানানো হয় না। পাঠক কোন প্রতিক্রিয়া জানালে এখানেই আপডট হয়। তাই লেখককেই মাঝে মাঝে সাইট ভিজিট করতে হবে। আপনি লিখা পাঠান স্মৃতিচারণ নামের একটা ট্যাগে আপডেট হবে…ধন্যবাদ সাথে থাকার জন্য। এডমিন

  11. ধন্যবাদ আপনাদেরকে উত্তর দেয়ার জন্য।

  12. munshigonjer khobor ar pathok hishabe ami ki amar kono proti badon ba kono galpo prokash karte parbo.

    1. ইউসুফ ভাই, যে কোন খবর বা গল্প পাঠান আমরা প্রকাশ করব। ধন্যবাদ সাথে থাকার জন্য।

  13. aj ke amar affidavit ar news the daily munshigonjer kagoj a chapano hoese . ami bhabachilam ta online pabo abong ta facebook a bandhoder shathe share korbo. apnara ki the daily munshigonjer kagoj ar news gola prokash koren na . jodi kore thaken tahole please ama k janaben.

  14. মুন্সিগঞ্জের কাগজ অনলাইন এডিশন নাই বোধ হয়। থাকলে জানাবেন, আমরা আপডেট করব ইনশাআল্লাহ…

  15. এস ইসলামের মন্তব্যের প্রেক্ষিতে-আমাদের দেশের মানুষ এত অসচেতন যে এস ইসলাম যে প্রতিবাদটা করেছেন তা করা তো দূরে থাকএরূপ কথা কেউ ভাবতে ও পারেন না।তাই তারা মনে করে মসজিদ-মাদ্রাসায় দান করলে একজন অসৎ ব্যক্তির অসৎ পথে অর্জন ও বুঝি হালার হয়ে যায়। এ ভাবে ঐ অসৎ ব্যক্তি সমাজে একটা স্থান করে নেয়। তাই ইদানিং একটা ফ্যাশন হয়ে গেছে যে সৎ পথে অর্জিত টাকা উচ্চ-শিক্ষিত ব্যবসায়ী বা শিল্প-মালিক ও দেশের বাড়িতে মসজিদ মাদ্রাসা করতে স্বাচ্ছন্দ বোধ করেন। সহজেই এলাকার নজর কাড়তে পারেন।তারা ভাবতে ও পারেন না যে মাদ্রাসাগুলিতে টাকা ব্যয় স্কুল-কলেজে টাকা ব্যয়ের চাইতে কত অপব্যয়। মাদ্রাসার উপর একটি গবেষণা মূলক লেখা আজকের জনকন্ঠে বেড়িয়েছে।এটা পাঠকদের পড়তে আনুরোধ করছি।লেখাটির মূল কথা হলো_এই শিক্ষায় বেকারত্বের হার ৭৫% যা জাতীয় সম্পদের অপচয় এবং ধর্মভিত্তিক রাজনীতি ও সংশ্লিষ্ট জংগিত্বের ক্ষেত্র উর্বর করা ।শিক্ষার মূল লক্ষ্য হলো মানুষের অন্তর্নিহিত সৃজনশীল শক্তির বিকাশ ঘটানো। কিন্তু মাদ্রাসা শিক্ষায় সে সুযোগের ঘাটতি আছে। স্বাধীনতার পর ধর্ম বিশ্বাস ,ধর্মীয় কুসংস্কার ও সস্তা জনপ্রিয়তার নামে ধর্মীয় শিক্ষাকে বেশি পৃষ্ঠপোষকতা করা হয়েছে।

  16. মুন্সিগঞ্জের স্কুল ও কলেজের কোন ভাল খবর কিংবা মন্দ খবর(আশাকরি নাই) কম প্রকাশ হয় কেন?

    1. আমাদের কাছে যা আসে বা পত্রিকায় যা পাই তাই আপডেট করে থাকি। ধন্যবাদ । এডমিন

  17. অসুস্থতার জন্য অনেক দিন মুন্সীগঞ্জের খবর দেখা হয়নি। তাই কোন মতামত দিতে পারিনি। এখন থেকে নিয়মিত এটা দেখবো।মুন্সীগঞ্জ ছেড়েছি সেই পঞ্চাশের দশকে,জীবিকার টানে। কিন্তু সেই বাল্যকালের স্মৃতিবিজরিত মুন্সীগঞ্জ শহর কি ভুলা যায়? যদিও এখনকার মুন্সীগঞ্জের সাথে ৫০ এর দশকের মুন্সীগঞ্জের চেহারা মিলানো যায় না।মুন্সীগঞ্জ নামটি শুনলে আমি যেন সেই যৌবনোন্মেশের দিনগুলিতে ফিরে যাই। একদম মনে হয না আমার বয়স সত্তুর পেরিয়ে গেছে।

  18. আমি আপনার এই সাইটটির একজন রেগুলার পাঠক। এটি না দেখলে আমর ভাল লাগেনা একদম। আমি আশা করি ওনলাইনের সব নিউজ আপডেট করবেন। প্রয়োজনে আমি আপনাকে ডাটা দিয়ে হেল্প করব। ধন্যবাদ

    1. Thanks Eku bai, provide the data and will be updated insaAllah.

  19. বিক্রমপুর সাহিত্য পরিষদ একটি সাহিত্য সংগঠন। আমরা এ সংগঠনের মাধ্যমে বিক্রমপুরের ্তিহাস, ঐতিহ্য এবং কৃতি সন্তানদের তুলে ধরার চেষ্টা করছি এবং এ ব্যাপারে সকলের সহযোগিতা কামনা করছি।

  20. https://www.youtube.com/watch?v=js-6WXTRJdM

    বজ্রযোগিনী গ্রাম নিয়ে বানানো আমার একটি ডকুমেন্টারি। ছোট অবশ্যই। শেয়ার দিলে খুশি হবো। ধন্যবাদ।

  21. “Politics amader desh er unnoyon ke badha grosto korse”
    Bangladesh er unnoyone bigoto din gulite Munsigonj bashir aonek aobodan rohiase,Desher ajker prekkha pote ami mone kori dol mot nirbisheshe amader Munshigonj bashir abar ekti andolon goretola proyojon ta holo,”Dui barer beshi ekjon prodhan montree hote parben na”Ei slogan ti shofol korte ami shokoler kase anurodh janassi,Aponi nije bachun n aponar desh ke bachan,

  22. পাঠকের পাতায় আজ কিছু লিখব জানিনা সংশ্লিষ্ট কর্তপক্ষের নজরে কিংবা পাঠক বৃন্দের কোন উপকারে আসবে কিনা। প্রসংগ ঢাকা-ইছাপুরা-বেতকা-কালিবাড়ী বাস রুটের ভাড়া, ভোগান্তি এবং এলাকার উন্নয়নে রাজনৈতিক দর্শন । আমরা যারা চাকুরীজ়ীবি ঢাকা থেকে বাড়ীতে দৈনিক/সপ্তাহে বাসে যাতায়াত করি একমাত্র তারাই হাড়ে হাড়ে টের পাই এই রুটে কত কস্ট করে যাতায়াত করতে হয় এবং কত গুন অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে। টংগীবাড়ী ও সিরাজদিখান থানার প্রায় ৭৫ শতাংশ মানুষ এই রুট দিয়ে ঢাকায় প্রতিদিন যাতায়াত করেন। যাত্রী অনুপাতে বাসের সংখ্যা অত্যন্ত নগন্য তারপরও অন্যান্য রুটের অনুপাতে প্রায় দিগুন ভাড়া আদায় করা হয়। এছাড়া রাস্তার বেহাল দশা এবং ঝুকিপুর্ন যাতায়াত বিশেষকরে নিমতলা থেকে কালীবাড়ী পর্যন্তত আছেই। নিমতলা থেকে কালিবাড়ী পর্যন্ত রুটের প্রশস্ততা অত্যন্ত ঝুকিপুর্ণ দুটি বাসের সাইড নিতে গেলেই যাত্রীরা তা হাড়ে হাড়ে টের পান জানালা দিয়ে পাশে তাকালেই গা শিউরে উঠে। ইছাপুরা চৌরাস্তা থেকে মোস্তফাগঞ্জ মাদ্রাসার মাঝামাঝি এন্তাজ উদ্দিন মিয়ার মসজিদ সংলগ্ন রাস্তার এক পাশ ডেবে এতই বিপদ জনক অবস্থায় আছে যে এই পথটুকু ভাড়ি যানবাহন অথবা, লোডক্রিত ট্রাক যেকোন মুহুত্তে দুরর্ঘটনায় পরতে পারে। তাছাড়া কান্দাপাড়া (সিরাজদিখান-টংগীবাড়ী সংযোগ ব্রীজ়) ব্রীজ়টিতে রাতের বেলায় কোন আলোর ব্যবস্থা ও ব্রীজ়ের দুই প্রান্তে সাইড সুরক্ষা বেস্টনি না থাকায় যে কোন মুহুর্তে ছোট যানবাহন অথবা পথচারি দুর্ঘটনায় নিচে পরে যেতে পারে। এই জনাকীর্ণ রাস্তাটি প্রশস্তকরনের ব্যাপারে জেলা প্রশাষন, সরকার কিংবা অত্র এলাকার রাজনীতিকদের কোন ভ্রুক্ষেপ নেই অথচ দৈনিক লক্ষ্য লক্ষ্য টাকা চাদা আদায় হচ্ছে এই রুটের মাধ্যমে।

    এইবার আসি বাসের সার্ভিস প্রসংগে… এই রুটে দুই প্রজাতির বাস দেখা যায় তার একটির নাম সিটিং অন্যটির নাম লোকাল, মজার ব্যাপার হল দুই প্রজাতির বাসের ভাড়া এক। যাহা এক বিড়ল ব্যাপার। ঢাকার গুলিস্তান থেকে কালিবাড়ীর দূরত্ত ও গুলিস্তান থেকে মাওয়ার দুরত্তের অনুপাতে ঢাকা-কালিবাড়ীর ভাড়া হওয়া উচিত সব্বোর্চ ৪০-৪৫ টাকা যেখানে ভাড়া আদায় হ্য় ৬০ টাকা। যেহেতু জনাকীর্ন জনপথ তাই অফিস খোলার দিন যেমন শনিবার, কালিবাড়ী থেকে ছেড়ে আসা বাসগুলি বেতকা আসার আগেই ছিট ভর্তি হয়ে যায় তাই বেতকা থেকে মানুষ দাড়িয়ে বা ছাদে চড়ে জীবনের ঝুকি নিয়ে যাতায়াত করে এবং এই সুযোগে বাসের হেলপার/কন্ট্রাক্টর বাসের ভিতরে হিমাগারে যেমন আলুর বস্তা স্তুপ করে রাথে, ঠিক তেমনি করে বাসের ভিতরে যাত্রী তোলে। এই অবস্তা যদি বেতকা থেকে শুরু হয় তাহলে পাঠকগণ ভাবূনত পথিমধ্যের পরবর্তী স্টেশনের যাত্রীরা যেমন কান্দাপাড়া-মালখানগর-ইছাপূরা-সিরাজদিখান-রশুনিয়া এলাকার মানুষগন কিভাবে বাসে চড়বে…? তাড়াত আর ছিটের আশাই করতে পারেনা বরং যুদ্ধ করে কিভাবে একটু বাসের ছাদে উঠা যায় । আমার মত হাজারো ভূক্তভোগী প্রতি সপ্তাহে অফিসে লেট করে প্রবেশ করে এবং মাস শেষে ২-৩ দিনের বেতন কাটার জালা পোহায় । পাঠকগন আরেকটু ভাবুনত এই এলাকার মহিলা ও শিশু যাত্রীদের তাহলে কি হাল…? একই অবস্থার উদ্রেক ঘটে বৃহস্পতিবার ঢাকা থেকে ফিরতে হলে। ঘন্টার পর ঘন্টা গুলিস্তান দাঁড়িয়ে থাকতে হয় বাসের জন্য তাও আবার স্টেশনে থাকা সব বাস ঠিক সময়ে ছাড়েনা । সব্বোর্চ ভাড়া দেয়ার পরও বাসের হেলপার/কন্ট্রাক্টরদের দুব্যবহারত মাঝে মাঝে বারতি পাওনা থাকে সম্মানিত যাত্রী সাধারনের । এমন চিত্র এই রুটে শুধু বৃহস্পতিবার/শনিবারই নয় সারা সপ্তাহ জুড়েই থাকে এমনটি।

    আমাদের দেশ দিন দিন এগিয়ে যাচ্ছে, আর আমার মনে হয় আমরা বিক্রমপুরবাসি দিন দিন পিছিয়ে যাচ্ছি… আমরা সকল নাগরিক সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছি। আমাদের রাজনীতিকদের মধ্যে এলাকার উন্নয়নের জন্য কোন ঐক্যবদ্ধ্য প্রচেস্টা নেই। নেই কোন সামাজিক আন্দোলন এই সকল রাস্তাঘাট নির্মাণ কিংবা প্রশস্তকরন কিংবা গণপরিবহন বৃদ্ধি করন কিংবা গোটা বিক্রমপুরে রেল যোগাযোগ স্থাপনের জন্য সরকারের নিকট রাজনৈতিক ভাবে গণচাহিদার উম্মেষ। যদিও আমরা ঢাকার খুব নিকটবর্তী জেলা আমাদের উপর দিয়েই চলে যাবে পদ্মা সেতু/রেল সেতু কিন্ত আমরা কি এসবের কিছু উপভোগ না করেই তৃপ্তির ঢেকুড় তুলব……!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!